তিন দফা দাবিতে না.গঞ্জে তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০:৫৭ পিএম
বিক্রির ওপর কমিশন বাড়ানোসহ তিন দফা দাবিতে নারায়ণগঞ্জে অয়েল ডিপোর ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছেন। এতে ঢাকা ও আশেপাশের জেলাগুলোতে সিংহভাগ জ্বালানি তেল ও বিমানের তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
বাংলাদেশ ট্যাংক লরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউশনস এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ঘোষণা অনুযায়ী সারাদেশে এ কর্মসূচি পালন করছে ব্যবসায়ীরা। জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তিনটি কোম্পানির জ্বালানি তেলের ডিপো রয়েছে।
এই ডিপোগুলো থেকেই রাজধানী ঢাকা ও আশেপাশের জেলাগুলোতে সিংহভাগ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। সিদ্ধিরগঞ্জের পদ্মা ডিপো থেকে সরবরাহ করা বিমানে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল। এ কর্মসূচির জন্য বন্ধ রয়েছে বিমানের তেল সরবরাহও। এছাড়া বন্ধ রয়েছে শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ পরিবহন খাতেরও জ্বালানি সরবরাহ।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউশনস এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তিন দফা দাবিগুলো হলো- জ্বালানি তেলের কমিশন ২.৭৩ থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে শতকরা সাড়ে ৭ করতে হবে। জ্বালানি তেল ব্যাবসায়ীরা কমিশন এজেন্ট বিধায় প্রতিশ্রæতি মোতাবেক সুস্পষ্ট গেজেট প্রকাশ করতে হবে।
ট্যাংক লরি ভাড়ার ওপর ভ্যাট সংযুক্ত নাই ও ট্যাংক লরির ইকোনমি লাইফ ২৫ বছরের ঊর্ধ্বে নির্ধারণ পূর্বক পৃথকভাবে সুস্পস্ট গেজেট প্রকাশ করতে হবে। এ বিষয়ে সংগঠনটির নারায়ণগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক মিজান প্রধান বলেন, তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সারা বাংলাদেশে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এখনও আমরা অনড় আছি। দাবি আদায় না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যহত থাকবে।এন.হুসেইন রনী /জেসি


