Logo
Logo
×

বিচিত্র সংবাদ

বিপ্লব আনসার সদস্য জালালের পুত্র তাই তার সাত খুন মাফ

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৩, ০১:৪৯ পিএম

বিপ্লব আনসার সদস্য জালালের পুত্র তাই তার সাত খুন মাফ
Swapno

 

ফতুল্লা থানার গাবতলী এলাকার একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হলো বিপ্লব। তার পিতার নাম জালাল। আর এই জালাল হলো সাবেক একজন আনসার সদস্য। তাই সাবেক আনসার সদস্যের ছেলে হওয়ার কারনে সে গাবতলী টাগারের পাড় এবং আশপাশের এলাকায় অবাধে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

 

এছাড়া এই বিপ্লব একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকরী চক্রেরর সদস্য। এলাকাবাসী জানিয়েছে কয়েকদিন আগে মাদক বিক্রির সময় বিপ্লবকে হাতেনাতে ধরে ফেলে গাবতলী এলাকাবাসী। পরে এলাকাবাসী তাকে স্থানীয় মেম্বার কামরুল হাসানের অফিসে নিয়ে যায়। কামরুল মেম্বার তাকে পুলিশে সোপর্ধ করার প্রস্তুতি নিলে খবর পেয়ে বিপ্লবের পিতা জালাল এসে হাতেপায়ে ধরে বলে তার পুত্র আর কোনো অপরাধের সাথে জরাবে না।

 

 

এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে দূর্দান্ত অপরাধী বিপ্লবকে ছাড়িয়ে নেয়। কিন্তু পুত্রকে ছাড়িয়ে নেয়ার পরেই জালাল নিজে ফতুল্লা থানায় গিয়ে বাদী হয়ে এলাকার কয়েকজন যুবকের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করে। আর নিজেকে সে সাবেক আনসার সদস্য পরিচয় দেয়ার কারনে পুলিশও ঘটনার তদন্ত না করেই অভিযোগটি মামলা হিসাবে গ্রহণ করে এবং এলাকায় গ্রেফতার অভিযান চালায়।

 

 

এ সময় পুলিশ কালাম নামক এক যুবককে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এলাকাবাসী জানিয়েছে পুলিশের এই গ্রেফতার অভিযানের পর এলকোর সাধারন যুবকদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পরে। কিন্তু বিপরিতে জালালের ছেলে বিপ্লব এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে।

 

 

গতকাল বিপ্লব ও তার সহযোগীরা আজিজুল নামক এক যুবককে বেদম পিটিয়ে তার কাছ থেকে একটি মোবাইল সেট এবং নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পিটুনিতে আজিজুল জখম হলে সে খানপুর হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয় এবং পরে সে ফতুল্লা থানায় গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

 

 

তার অভিযোগে মাদক ব্যবসায়ী বিপ্লবকে ১নং বিবাধী করা হয়। তার সঙ্গে আরো যাদেরকে বিবাধী করা হয়েছে তারা হলো মাওলা, চায়না মিঠু, বাপ্পি ও সরফ। এরা টাগারের পাড় এবং আশপাশের এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এবং ছিনতাইকারী। আর এদেরকে প্রকাশ্যে শেল্টার দেয় বিপ্লবের পিতা জালাল।

 

 

আর এই জালাল নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসাবে পরিচয় দেয়। এলাকায় সে একই সাথে জালাল পুলিশ এবং গ্যারেজ জালাল হিসাবে পরিচিত। এলাকায় তার একটি রিকশার গ্যারেজ রয়েছে। এদিকে গতকাল আজিজুলকে মারধোর করার পর সে থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে অভিযোগটির তদন্ত করার দায়িত্ব দেয়া হয় এসআই মনির হোসেনকে।

 

 

কিন্তু এসআই মনির হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আজিজুলের সাথে এসে আসামীদের বাড়িতে যান। এ সময় আবারও জালাল এসআই মনিরের সাথে কথা বলার পর উল্টো ভুক্তভোগী আজিজুলকেই ধরে নিয়ে যায় এসআই মনির হোসেন। ফলে বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

এলাকাবাসী জানিয়েছে আনসারের সাবেক সদস্য গ্যারেজ জালাল আর তার পুত্র এবং তার বাহিনীর অত্যাচারে তারা এখন দিশেহারা। জালালের দাপটে এলাকার নীরিহ সাধারন মানুষ এখন ভয়ে সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। তারা ফতুল্লা থানার ওসিকে এ বিষয়ে আরো খোঁজ খবর নিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন।   এন.হুসেইন রনী /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন