বেড়েছে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৩, ০২:৩৮ পিএম
নারায়নগঞ্জে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাতে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে শহরবাসী। দেখা যায় অনেক পাড়া-মহল্লা রাতের আধারে সম্পূর্ণ এলাকা কুকুরের দখলে চলে যায়। গত দুই সপ্তাহে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৮৬ জন, যাদের মধ্যে শিশুদের চেয়ে বড়দের সংখ্যাই বেশি। গতকাল সরেজমিনে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে দেখা যায়, সকাল থেকে কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের দীর্ঘ লাইন।
পরিস্থিতি এমন হয়ে দাড়িয়েছে যে দিনের বেলায়ও অনেকে কুকুরের ভয়ে ঘর থেকে বের হতে সাহস পান না। ফলে শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৭০ জন কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত হচ্ছেন। কুকুরের উগ্রভাব দেখে মনে হয় যে কেনো মুহুর্তে যে কাউকে কামড় দিতে পারে।
নগরীর বিভিন্ন স্থানে ডাস্টবিন ও রাস্তায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনায় দল বেধে আসছে বেওয়ারিশ কুকুর। হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক জানান, এখন প্রতিটা ঘরেই দেখা যায় বিড়াল পালা হয়। আচঁর ও কামড় খাওয়ার অভিজ্ঞতা নেই এমন বিড়াল মালিক খুজে পাওয়া দায়।এ কারনে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কেটে যেতে পারে,যার কারনে থাকে জলাতঙ্ক রোগের আতঙ্ক। তবে যারা ভ্যাকসিন নিতে আসেন তাদেরকে আমরা এ ব্যাপারে সতর্ক অবলম্বন করতে বলি।
ভ্যাকসিন নিতে আসা কয়েকজন জানান, এলাকার প্রতিটি মোড়ে মোড়ে এখন ৮/১০ টি করে কুকুর থাকে। আগে কুকুরদের ধরে ধরে ভ্যাকসিন দেওয়া হতো এখন তা আর দেওয়া হয়না।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেডিকেল অফিসার শেখ মোস্তফা আলী বলেন, কুকুর নিধনের কেনো সুযোগ নেই। এই কুকুর নিধনের জন্য পরিবেশ আইনে একটি মামলা আছে, আর সেটি নিষ্পতি না হওয়া পর্যন্ত আমরা কিছু করতে পারবো না।
ওদের প্রজননপদ্ধতি ও জলাতঙ্ক রোধের জন্য ভেক্সিনেশন প্রক্রিয়া চলছে। আর এ কুকুরের জন্য যাতে কেউ জলাতঙ্কে আক্রান্ত না হয় তাই আমাদের বছরে একবার করে ভেক্সিনেশন প্রোগাম করা হয়।আমাদের এখানে ভ্যাকসিন বরাদ্দ যদি থাকতো তাহলে আমরা দিতে পারতাম।এন.হুসেইন রনী /জেসি


