মিশনপাড়ায় যাত্রীবাহী বাসে আগুন, আরেকটি ভাঙচুর
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৩, ০১:৫২ পিএম
শহরে হরতাল সমর্থনকারী একটি মিছিল থেকে যাত্রীবাহী একটি বাস ভাঙচুর করার পর আগুন দিয়ে অপর একটি বাস ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার (২৯ অক্টোবর) সকাল পৌনে এগারোটার দিকে শহরের নবাব সলিমুল্লাহ সড়কের মিশনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সদর মডেল থানার ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হরতাল সমর্থনে মিশনপাড়া এলাকায় বিএনপির একটি মিছিল থেকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচল করা উৎসব ট্রান্সপোর্টের একটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয়। পরে বাসটিতে আগুন দেওয়া হয়। একই এলাকায় বন্ধু পরিবহনের একটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয়। আগুন দেওয়া বাসটির অন্তত ছয়টি সিট পুড়ে গেছে।
তবে দুটি ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। উৎসব ট্রান্সপোর্ট লিমিটেডের বাসটির চালক মো. নিয়াজুল বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে কয়েকজন যাত্রী ছিলেন৷ তাদের নিয়ে বাসটি নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছিল। এমন সময় একটি মিছিল থেকে লোকজন বাসটিকে থামিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে ভাঙচুর করে।
পরে বাসটিতে আগুন জ্বালিয়ে দিলে ছয়টি সিট পুড়ে যায়। ‘স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় পানি দিয়ে আগুন নেভানো হয়। বাসটির যাত্রীরা আগেই নেমে যাওয়ায় কেউ আহত হননি।’, বলেন ওই চালক।
তবে মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর বলেন, হরতালের সমর্থনে বিএনপির মিছিল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়। তাদের মিছিল শেষে অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীরা বাসটিতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন দেয়। এ ঘটনার সাথে বিএনপি সমর্থিত কেউ জড়িত নয় বলে দাবি তার।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘সকাল থেকে বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকটি স্থানে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে বিএনপি ও হরতাল সমর্থনকারীরা। কয়েকটি জায়গায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে গিয়ে সরিয়ে দেয়।
হরতাল সমর্থনে একটি মিছিল থেকে একটি বাস ভাঙচুর এবং আরেকটি বাসে আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে সেখানে যাবার আগেই তারা পালিয়ে যায়।


