দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজার দরের বাড়তি চাপ তুলনামূলক বেশি ভোগান্তিতে ফেলেছে সাধারণ নিম্ন মধ্যবিত্তদের। যেখানে সব ধরনের মুরগির দামই বাড়তি যাচ্ছে সেখানে ব্রয়লার মুরগিই একমাত্র ভরসা। কিন্তু যারা ব্রয়লারও কিনতে পারছেন না তারাই বাজারে এসে খুজছেন মুরগীর, গিলা, কলিজা ও মাথা।
দোকানগুলোতে দেখা যায় কেউ কিনছেন ব্রয়লার আবার কেউ দাম জানছেন সোনালি, কক ও লেয়ার মুরগীর। বিক্রেতারা জানান মুরগীর পাশাপাশি গিলা, কলিজা, মাথা ও পা এর ক্রেতা আগের তুলনায় বেগেছে। বাজারে এসব গিলা, কলিজা, পা ও মাথা এক সঙ্গে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা করে।
আবার কেউ শুধু কলিজা ও পা কিনতে চাইলে সেক্ষেত্রে ১৪০ টাকা করে বিক্রি করছে বিক্রেতারা। মুরগীর বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়রার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ১৮৫-১৯০ টাকায়। সোনালি মুরগী প্রতি কেজি ৩২০ টাকা, সাদা লেয়ার মুরগী কেজি প্রতি ২৮০ টাকা এবং দেশি মুরগী ৬৫০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে।
আলী আহমেদ নামে এক মুরগী বিক্রেতা বলেন, ব্রয়লার মুরগী ছাড়া সব মুরগীর দাম এখন বাড়তি হওয়ায় অনেকেই যারা কিনতে পারে না তারাই মূলত এসব কিনে নেয়। অনেক ক্রেতা আছে যারা মুরগী কিনে ছিলিয়ে নেয় গলা, কলিজা, পা নেয় না। তারপর ওগুলো জমিয়ে রেখে আলাদাভবে বিক্রি করি।
আর দেশি মুরগি কেনার জন্য দিনে ২-১ জন ক্রেতা আসে,পরে আর বিক্রি হয়না। এখন এমন অনেক ক্রেতাই আছে যারা দিধাবদ করে না এগুলো কিনতে। বলতে গেলে সারাদিনে ভালোই বিক্রি হয়।
মুরগীর বাজারে থাকা আরো কিছু বিক্রেতারা জানান, সবজি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের সাথে মুরগীর দামও তাল মিলিয়ে বাড়ছে।দাম বেশি হওয়ার কারনে মানুষ এখন খুব বেশি মুরগী কিনছে না। কোনো অনুষ্ঠান হলেই কিনা হয় তাছাড়া মাংস কিনতে ক্রেতাদের কেনো নাম গন্ধই দেখি না।
আর দেশি মুরগী কেনার কথা মানুষ তো এখন সপ্নেও ভাবেনা। আসলে আমাদের কিছু করার নেই কারন আমাদের বাড়তি দমেই প্রতিটি মুরগী কিনা হয়, যার প্রভাব পরে বাজারে ও ক্রেতা পর্যায়ে।


