Logo
Logo
×

বিচিত্র সংবাদ

কী হতে যাচ্ছে ১০ ডিসেম্বর

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৩:৫৭ পিএম

কী হতে যাচ্ছে ১০ ডিসেম্বর
Swapno

 

 

আগামী ৭ জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচনকে ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক অঙ্গন। এক দিকে অবাধ ও সুষ্ঠভাবে ভোট হবে বলছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাথে নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলো। অপর দিকে দেশের সব চাইতে বড় বিরোধী দল বিএনপি বলছে কোন মূল্যে এই নির্বাচন হবে না। যাকে ঘিরে দুই দলের নেতাকর্মীরাই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে।

 

 

এদিকে গত বছর ১০ই ডিসেম্বর নিয়ে বেশ আলোচনার ঝড় বসেছিলো দেশে। বিএনপির বহু নেতাকর্মীরা নানান সময় বক্তব্যতে বলেছিলেন ১০ই ডিসেম্বর এই সরকারের সময় শেষ হবে। কিন্তু সব শেষে কিছুই হতে দেখা দেখা যায়নি। কিন্তু ওই ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় পাশাপাশি স্থানে ত্রিমুখী সমাবেশে ডাকে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিলো জনমনে।

 

 

 

এই বছর আবার সেই আগের মতোই ১০ ডিসেম্বর নিয়ে আলোচনা চলছে। জানা গেছে, বিএনপি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ১০ ডিসেম্বরের জন্য।  নাটকীয় কিছু ঘটতে যাচ্ছে কি না এমন ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। কিন্তু বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ফেসবুকে নানা স্ট্যাটাস দিয়ে লিখছেন ১০ ডিসেম্বর দেখা হবে রাজপথে সকলেই চোখ রেখে দেখেন কি হয়।

 

 

তা ছাড়া ৭ জানুয়ারি নির্বাচন শেষ পর্যন্ত হবে কি না, তা নিয়েও বিএনপির কারও কারও মধ্যে নানা রকম সন্দেহ রয়েছে। অধীর আগ্রহে বিএনপি অপেক্ষা করছে, কিছু একটা ঘটবে। কিন্তু গোপনে তারা বলছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ওপর বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। বাংলাদেশের উপর আসছে বড় ধরনের খড়গ।

 

 

এমন একটা বিষয় নিয়েই কর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা শোনা গেলে ও বিএনপির মূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদে দাবি, আগামী ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস সেই উপলক্ষে সারা দেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জে ও শান্তিপূর্নভাবে মানববন্ধন পালন করা হবে। যার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগীতা চেয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা।

 


সূত্রে বলছে, গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীদের ওপর নতুন করে ক্রেকডাউন চালাচ্ছে সরকার। ওই ঘটনার পর থেকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস-চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

 

 

 শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ এমন আরো হাজারো অনেক মূল ধারার নেতাকর্মীদের নাশকতা মামলা গ্রেফতার করে কারগারে রাখা হয়েছে।

 

 

তাছাড়া সারা দেশের সাথে তাল মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জে ও প্রায় ২২টি নাশকতা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে বর্তমানে তফসিলকে প্রত্যাখ্যান করে লাগাতারভাবে হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে দলটি। এবার অবরোধ-হরতালকে সাইডে রেখে আগামী ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবসে মনাববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে চায় দলটি।

 

 

তাদের দাবি এই কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ন। তা ছাড়া বিএনপির নেতাকর্মীরা ১০ ডিসেম্বরকে অনেক গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। এটাকে নিয়ে জুম মিটিংসহ নানা আলোচনা অবহৃত আছে। এছাড়া ও গতকাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মানবাধিকার দিবসে (১০ ডিসেম্বর) সারা দেশে বিশৃঙ্খলা করার ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি-জামায়াত।

 

 

জনসম্পৃক্ততার অভাবে আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে তারা এখন নাশকতা করে সেই আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে চায়। বিএনপির আরো অনেকে নেতাকর্মীদের ধারনা  এই মানবাধিকার দিবসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ব্যাপারে যে মানবাধিকার রিপোর্ট প্রকাশ করবে তার ফলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকম্প হবে।  

 

কিন্তু বিএনপির আগামী ১০ ডিসেম্বরের পোগ্রামে শুধু বিএনপির নেতাকর্মীরা নয় সেখানে থাকবে সুশীল মহলে লোকেরা ও বিএনপির নেতাকর্মী যারা গুম-খুন-গ্রেফতারের শিকার হয়েছেন তাদের স্বজনরা। আর এই মানববন্ধনকে শান্তিপূর্নভাবে গ্রেফতার এড়িয়ে পালনের কথা জানিয়েছে দলটির একাধিক নেতাকর্মী। কিন্তু সূত্র ধারা জানা যাচ্ছে বিএনপি মনে করছে যে, ১০ ডিসেম্বরই কিছু একটা ঘটনা ঘটবে। সেই অপেক্ষায় তারা রয়েছে।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন