Logo
Logo
×

বিচিত্র সংবাদ

রিয়াদের ভাই-ভাতিজারা আবারো মাসদাইরে দাবড়ে বেড়াচ্ছে

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০২:২৬ পিএম

রিয়াদের ভাই-ভাতিজারা আবারো মাসদাইরে দাবড়ে বেড়াচ্ছে
Swapno


# অনিকের গ্রেফতারে মাসদাইরে অপকর্ম ধরে রেখেছে সমুন ও সিয়াম
নারায়ণগঞ্জের মাসদাইরে বর্তমানে এক আতঙ্কের নাম হলো কিশোরগ্যাং। ভয়ংঙ্কর এই গ্যাংয়ের আওতাধীনই পরিচালিত হয় মাদক, সন্ত্রাসী, ইভটিজিং, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম। আর এগুলোকে আশ্রয় পশ্রয় দিয়ে থাকে রাজনৈতিক দলের কিছু বড় ভাইদের ছায়াতলে থেকেই এই অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের কিশোরগ্যাং লিডার ও বাহিনীর অন্য সদস্যরা।

 

 

জানা গেছে, মাসদাইরকে বর্তমানে অপরাধ কর্মকান্ডের রেড জোনে পরিণত করে পুরো মাসদাইরে রাজত্ব কায়েম করছে মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদের পরিবারের সদস্যরা। শোনা যায় রিয়াদের আশ্রয় পশ্রয়েই রিয়াদের চাচাতো ভাই সুমন প্রধান এলাকায় চাঁদাবাজিসহ এলাকায় বিভিন্ন নামে বেনামে গ্রুপ তৈরি করে অপকর্ম পরিচালনা করছেন।

 

 

তা ছাড়া রিয়াদের আরেক ভাতিজা সিয়াম প্রধান নানাভাবে এলাকায় চাঁদাবাজির মহোৎসব পরিচলনা করছেন তা ছাড়া রিয়াদের নাম কলেজ রোড এলাকায় রেস্টুরেন্ট ও দোকান থেকে সপ্তাহিক ১ হাজার টাকা ও ব্যাচগুলো থেকে মাসিক চাঁদা তুলছে ৫ হাজার টাকা করে। তা ছাড়া ও রিয়াদের নানা অপকর্মের জন্য সিয়াম প্রধানকে রাখা হয় সদাসবর্দা রিয়াদের আশেপাশেই এমনকি রিয়াদের নানা অবৈধ জিনিসপত্র ও তার ভাতিজা সিয়াম প্রধান বহন করেন বলে ও জানা গেছে।

 

 

অপর দিকে মাসদাইরের বাড়ৈভোগের পুরো এলাকা রিয়াদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে তৈরি করেছিলেন তার আরেক চাচাতো ভাই অনিক প্রধানকে। কিন্তু কিছুদিন পূর্বে চাষাড়া বালুর মাঠ এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রকাশ্যে কুপিয়ে আলামিন ওরফে দানিয়ালকে মৃত্যুর কোলে ঢেলে দেন সেই ক্ষেত্রে দানিয়ালের মা মুক্তা বেগমের দায়েরকৃত মামলায় র‌্যাব-১১ আসামী অনিক প্রধানকে গ্রেফতার করেন।

 

 

কিন্তু হত্যার ঘটনায় রিয়াদের চাচাতো ভাই সুমন প্রধান ও ভাতিজা সিয়াম প্রধানের নাম না আসায় তারা এখনো এলাকায় দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছেন। এদিকে মামলায় আসামী হয়ে ও অনিকের ভাই অমিত প্রধান, অনিকে মামা ফরহাদ ও মুরাদ, আবদুস সাত্তারের ছেলে লাবু, মুসলিম মিয়ার দুই ছেলে মাসুদ, বেলোনের ছেলে সম্রাট।

 

 

এরা এজাহারভুক্ত আসামী হয়ে ও এখনো গ্রেফতারের আওতায় আসেনি যার কারণে এলাকা থেকে এখনো আতঙ্ক কমেনি ও এলাকাবাসী প্রশাসনের উপরে ক্ষিপ্ততা প্রকাশ করছেন। তা ছাড়া বর্তমানে রিয়াদ দুবাই ও এলাকার কিশোরগ্যাং লিডার, ছিনতাইকারীর সদস্য, মার্ডারের আসামী রিয়াদের ভাই অনিক প্রধান কারাগারে থাকায়। এলাকার সকল অবৈধ কারবারি ও কিশোরগ্যাংয়ের চেলাচামুন্ডাদের ধরে রেখেছেন সমুন প্রধান ও সিয়াম প্রধান।

 


সূত্র মতে জানা গেছে, দানিয়াল হত্যাকান্ডের ঘটনায় মূল হোতা হিসেবে পরিচিত ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ প্রধানের ভাতিজা সিয়াম প্রধান। তিনি ঘটনার দিন তার চাচা অনিক প্রধানকে কল করে বলেছিলেন দানিয়ালকে বালুর মাঠে দেখা গেছে তোমরা তারাতারি এখানে চলে আসো। অপর দিকে যখন দানিয়ালকে চাষাড়া বালুর মাঠ মেরে অটো করে মাসদাইর বাড়ৈভোগ এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

 

 

সে সময় অটো ভাড়া দিতে দেখা যায় রিয়াদ প্রধান ও আসামী অনিক প্রধানের চাচাতো ভাই সুমন প্রধানকে সেই অটোর ভাড়া দিতে। পরবর্তীতে তারা দুইজন ও দানিয়ালকে মৃত্যু কোলে ঢেলে দেওয়ার অন্যতম সহযোগ হিসেবে দাবি এলাকাবাসীর কিন্তু তাদের নামে থানায় কোন মামলা না হওয়ায় এলাকায় তারা দেদারসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদিকের হত্যাকান্ডের পর শহরের কিছু লোকাল পত্রিকায় সমুন প্রধানের নাম উন্মোচন হলে।

 

 

পর দিনই সমুন প্রধানের স্ত্রী দেবর ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদের বাসায় যায় আর তাকে বলে ভাই এখন কি করবো সুমনকে বাচাঁনোর আকতি- মিনতি করলে। রিয়াদ তার ভাবীকে আশ^াস দেন সমস্যা নাই কিছু হবে না। দুই-একদিন একটু সমস্যা দেখা দিলে আমি আছি না সমস্যা নাই। রিয়াদের আশ^াস পেয়ে সুমন এখন তার বেকারীর দোকানে পুনরায় বসতে শুরু করে।

 

 

তা ছাড়া রিয়াদের ভাতিজা সিয়াম প্রধান ও চাচা রিয়াদের কাছ থেকে ‘কিছু হবে না’ ভরসা পেয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ও মাদক সেবনে মুগ্ধ রয়েছে। তা ছাড়া এই ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে সব সময় নানা নিউজের হেড লাইন হতে হয় তাকে। এই রিয়াদের শেল্টারে তার চাচাতো ভাই ও ভাতিজারা যেভাবে মাসদাইরে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যার লক্ষে বোঝা যাচ্ছে সামনে এই মাসদাইরে অশৃঙ্খল ঘটনার আর্ভিবাব হতে পারে।

 

 

সামনের সকল প্রকারের অস্মৃতিশীল কর্মকান্ড থেকে পরিত্রান পেতে অতিশীগ্রই মাসদাইরের এই ডাকাত পরিবারের রামরাজত্ব বিনষ্ট করতে হবে। তা না হলে এই রিয়াদের শেল্টারে যেভাবে উচ্ছৃখলগ্যাংসহ নানা গ্যাং তৈরি হচ্ছে যাদের নেতৃত্বে দিয়ে থাকে রিয়াদের ভাই-ভাতিজারা।

 

 

এদিকে কিছুদিন পূর্বে হত্যকান্ডের ২ সপ্তাহ পরে মামলার ২নং এজাহারনামীয় আসামী অনিক প্রধানকে লালমনিরহাট জেলার সদর থানাধীন ড্রাইভার পাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করেন নারায়ণগঞ্জস্থ র‌্যাব-১১ ও রংপুরস্থ র‌্যাব-১১। অপর দিকে ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ বার বারই তার নাম আসতে দেখে গাঁ ডাকা দিয়ে দুবাই চলে গেলে।

 

 

সে অবস্থায় মাসদাইরকে নিয়ন্ত্রণ করতে নিয়মিত এলাকায় কিশোরগ্যাংদের সাথে যোগাযোগ অবহৃত রেখেছে উভয়ের চাচাতো ভাই সমুন প্রধান ও ভাতিজা সিয়াম প্রধান। তারা এলাকার দোকান দোকান থেকে যেভাবে রিয়াদের নামে অনিক প্রধান চাঁদা উত্তোলন করতেন সেভাবেই গোপনে তা পক্রিয়াধীন রেখেছেন।

 

 

তা ছাড়া মাসদাইরে কিছু গামেন্টর্স ও মিনি গামেন্টর্সগুলোকে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে দফায় দফায় মাসদাইরে সুমনের মালিকানাধীন বেকারীর অফিসে নিয়ে এসে বসিয়ে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো শুরু করেছেন। তা ছাড়া অনিকের গ্যাংয়ে থাকা লোকদের সমুন প্রধান নির্দেশ দিয়েছেন বাড়ৈভোগ ও গাইবান্ধা বাজার এলাকায় ত্রাস কায়েম করে রাখতে।

 

 

তা ছাড়া ভাতিজা সিয়াম প্রধান ও নিয়মিত তার লোক নিয়ে এলাকায় শোডাউন দিয়ে এলাকাবাসীকে জাগান দিয়ে যাচ্ছেন আর বলছেন অনিক প্রধান শীগ্রই কারামুক্ত হবেন। আর রিয়াদ কাকা  ও এলাকায় শীগ্রই চলে আসছেন।

 

 

বিগত দিনে ও আমরা এলাকায় রাজত্ব কয়েম করেছি। একটা মার্ডারে কিছু আশে যায় না। তা ছাড়া ও এই সিয়াম প্রধান তা চাচা রিয়াদ প্রধানের অবর্তমানে চাচার সাথে যোগাযোগ অবহৃত রেখে তাদের কলেজ রোড এলাকার মাসিক ও সপ্তাহিক চাঁদার কার্যক্রম চালু রেখেছেন।   এন. হুসেইন রনী  /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন