Logo
Logo
×

বিচিত্র সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুলে ১২দিন হেডমাস্টার নেই, ক্ষোভ

Icon

আবদুস সালাম

প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৪, ০৮:৫১ পিএম

নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুলে ১২দিন হেডমাস্টার নেই, ক্ষোভ
Swapno


দেশের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুলের এডহক গভর্নিং বডির উপর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ ও কার্যক্রমের নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে আদেশের পর থেকে গত ১২ দিন যাবত প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হাসান ভুইয়া স্কুলে অনুপস্থিত থাকায় স্কুলের প্রশাসনিক এবং শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন প্রদান।

 

 

এ নিয়ে শিক্ষক এবং অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।  গতকাল অজ্ঞাত স্থান থেকে মোবাইলে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে শিক্ষকদের সভা আহবান করেন শিক্ষক সাথী সাহা। তিনি  জানান হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারণে চন্দন শীলের এডহক কমিটির কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। এ কারণে হেডমাস্টার স্কুলে আসছে না।

 

 

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হাসান ভূইয়ার সাথে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।   এদিকে গতকাল স্কুলের শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী জেলা প্রশাসক পদাধিকার বলে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।

 

 

জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মানবিক কারণে বেতনের ব্যবস্থা গ্রহন না করে প্রধান শিক্ষক ১২দিন যাবৎ স্কুলে অনুপস্থিত আছেন। তার কক্ষ এখন তালা মারা। শিক্ষকরা অভিযোগ করেন আগামী সপ্তাহে রোজা শুরু  হবে। মানবিক কারণে রোজার আগেই বেতনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

 

 

একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই ইতিমধ্যে প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হাসান ভুইয়া এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কোচিং এর টাকা থেকে ৭০ হাজার, শিফট ইনচার্জ সাথী সাহা ৬০ হাজার এবং মাহাবুবুর রহমান ৬০ হাজার টাকা এডহক কমিটির সভাপতি চন্দন শীলের অনুমতি নিয়ে উত্তোলন করে নিয়ে গেছে।

 

 

এছাড়াও পুরনো খাতা বিক্রী থেকে মাহবুবুর রহমান ১৫ হাজার টাকা স্কুলের তহবিলে জমা না দিয়ে নিয়ে গেছেন। তারা জানান গভর্নিং বডি’র সাবেক সভাপতির সহযোগিতায় প্রধান শিক্ষক ও তার সহযোগীদের অত্যাচারে কয়েকজন শিক্ষক চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে।

 


নারায়নগঞ্জ হাই স্কুল এখন লাগাম বিহীন অবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে প্রধান শিক্ষক স্কুলে অনুপস্থিত থাকায় অন্যান্য শিক্ষকরা স্কুলে আসা যাওয়ায় অমনোযোগী হয়ে পড়েছে। নিয়মিত শ্রেণী কার্যক্রম না হওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

 


এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইউনুস ফারুকী জানান হাইকোর্টের নির্দেশনা পেয়েছেন। জেলা প্রশাসক সাহেব ঢাকায় জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনে আছেন। তিনি আসার পর হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে শিক্ষকদের দ্রুত বেতন প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।   এন. হুসেইন রনী  /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন