বামদের উস্কানিতে ফের বেপরোয়া হকাররা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৪, ০৭:০৯ পিএম
# রমজানকে টার্গেট করে উস্কে দিচ্ছেন হকারদের
শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের হকার উচ্ছেদ কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ সিটি করর্পোরেশন এর মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী উপরে হামলা চালানো হয় এবং তাকে রাস্তার উপরে ফেলে হত্যার চেষ্টা করেন হকাররা। ২০১৮ সারের ১৬ জানুয়ারি মেয়র আইভীর উপর হামলায় হকারদের উস্কানীদাতাদের মধ্যে অন্যতম হাফিজুল ইসলাম।
গত ৩ ফ্রেরুয়ারি নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজনে শহরের প্রধান দুই সমস্যা যানজট ও হকার ইসুতে এক গোল টেবিল অনুষ্ঠিত হয়। তার পর থেকেই শহরে বঙ্গবন্ধু সড়কে হকার বসতে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নারায়ণগঞ্জ সকল জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু ২০১৮ সালের মত করে ফের হকারদের উস্কে দিচ্ছেন জেলা সিপিবি সভাপতি হাফিজুল ইসলাম।
যেখানে নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত হয়েছে সেখানে আবারো হকারদের নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন বাম পন্থী দলের এই নেতা। হাফিজুলের অন্য সহযোগীরা হলেন, শ্রমিক নেতা এম এম শাহিন, আবদুল হাই শরীফ, শ্রমিক জাগরণ মঞ্চের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম গোলকসহ আরো অনেকে।
হকারদের বঙ্গবন্ধু সড়তে পুনর্বহালের দাবিতে দফায় দফায় মিছিল মিটিং করে আসছে এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা হকার সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও হকার হত্যা এবং চাদাঁবাজি মামলার আসামী মো. আসাদ। তিনি সকল জনপ্রতিনিধিদের প্রকাশে হুমকি দিয়ে বলেন আমরা অস্ত্র জমা দিয়েছি, কিন্তু ট্রেনিং জমা দেয়নি।
আমাদের দাবি মেনে নিতে হবে আমরা অন্য কোথাও যাবো না। আমাদের এখানেই বসতে দিতে হবে। ফলে প্রশ্ন ওঠেছে তাহলে হকারদের পিছনে কলকাঠি নাড়ছেন কারা?
এদিকে রমজানকে কেন্দ্র করে আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে হকার নেতারা। তারা সাংসদ সেলিম ওসমান, শামীম ওসমান, সিটি মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, জেলা প্রশাসক, ও জেলা পুলিশ সুপারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ফের রাজপথে নেমে এসেছে।
গত ৮ মার্চ শহরের দিবুরবাজার এলাকায় ও ৯ মার্চ শহরের চাষাড়া সুগন্ধা রেস্টুরেস্ট এর সামনে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের সাথে কয়েক দফায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
তাতে পুলিশ ও হকার শহ বেশ কয়েক জন আহত হন। তার পর থেকেই সড়ক দখল করে আবারো মিছিল মিটিং শুরু করে হকাররা। এবং ১১ মার্চ সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি করে তারা।
হত্যা ও চাদাঁবাজি মামলার আসামী হকার নেতা আসাদ বলেন, নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রায় ৫ হাজার হকার রয়েছে। তাদের মধ্যে ২২’শ হকার এর তালিকা ডিসি ও এমপি সাহেব এর কাছে জমা দিয়েছি। তার মধ্যে ৮শ হকার শহরের অন্য সড়ক গুলোতে বসার ব্যবস্থা করছে। এবং ১২শ হকার কে চাকরী ব্যবস্থা দেওয়া কথা বলেছে কিন্তু আমরা সেটা চাই না।
তারা আমাদের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই। আমরা চাই রমজান মাসে আমরা একপাশে বসতে চাই। আমাদের একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করেদেন। যতদিন না হবে ততদিন আমাদের বসতে দেন যাতে আমরা পরিবার নিয়ে চলতে পাড়ি। এন. হুসেইন রনী /জেসি


