পুলিশের দায় পাসপোর্ট কর্মকর্তাদের উপর কেনো?
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৪, ১২:৩২ পিএম
# পুলিশ ভ্যারিফিকেশনের দায় পাসপোর্ট অফিস নেবে কেনো?
নারায়ণগঞ্জের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের বিরুদ্ধে একটি মহল অপপ্রচারে মেতে উঠেছে। অফিসটিতে গিয়ে অন্যায় সুবিধা আদায় করতে না পেরে নানা রকম কল্প কাহিনী লিখে প্রচার চালাচ্ছে বিশেষ মহলটি। গত কয়েকদিনে নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি লোকাল দৈনিকে এই পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মনগড়া রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ওই মহলটি।
রিপোর্টে বলা হয়েছে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা নাকি পুলিশ ভ্যারিফিকেশন দিতে মোটা অংকের ঘুষ আদায় করছে। এছাড়া এসব রিপোর্টে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। মনগড়া ভাবে যুক্তিহীন রিপোর্ট প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রশ্ন হলো পুলিশ ব্যারিফিকেশনের দায়িত্ব যেখানে পুলিশ প্রশাসনের। সেখানে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা ঘুষ নিয়ে কিভাবে পুলিশ ব্যারিফিকেশন দেবে? বিষয়টি সম্পূর্ণরুপে পুলিশ প্রশাসনের উপর নির্ভর করে।
তবে এটা ঠিক যে পুলিশ ঘুষ ছাড়া কোনো ব্যারিফিকেশন দিতে চায় না। হাজার হাজার টাকা ঘুষ খেয়ে ভ্যারিফিকেশন রিপোর্ট দেয় বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে। কিন্তু এখানে পাসপোর্ট অফিসের কোনো হাতই নেই এটা সহজেই বুঝা যাওয়ার কথা। তারপরেও বিশেষ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এই ধরনের মনগড়া রিপোর্ট করে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের বিব্রত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে সম্প্রতি খোঁজ নিয়ে জানা গেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সম্প্রতি খুবই দক্ষতার সহিত সাধারন মানুষকে পাসপোর্ট সরবরাহ করছে। অনলাইনে পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করার পর লাইনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা এবং পাসপোর্ট সরবরাহ করা পর্যন্ত কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করা হয়। আর এসব ধাপ সম্পন্ন করতে কাউকে কোনো রকম টাকা পয়সা দিতে হয় না।
তবে মাঝখানে পুলিশ ব্যারিফিকেশন নিয়েই পরতে হয় বিরম্বনায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুলিশ টাকা ছাড়া কোনো ভ্যারিফিকেশন রিপোর্ট দেয় না বলে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। আর এই হয়রানির দায়ই এখন চাঁপানো হচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের উপর এবং এই অফিসের কর্মকর্তাদের উপর।
নারায়ণগঞ্জের সাধারন মানুষ মনে করেন পুলিশ স্বচ্ছতার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করলে পাসপোর্ট করতে মানুষকে কোনো রকম সমস্যায়ই পরতে হতো না। অথচ এই বিষয়টি পরিস্কার করে না লিখে এখন উদুর পিন্ডি বুদুর ঘারে চাঁপানো হচ্ছে। এন. হুসেইন রনী /জেসি


