ভোটকক্ষে বসে মোবাইল ব্যবহার, কান ধরে ক্ষমা চাইলেন পোলিং এজেন্ট
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৪, ১০:৪৪ পিএম
বন্দরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কলাবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে মনির হোসেন মিনু নামে এক পোলিং এজেন্টকে আটক করা হয়েছে। ভোটকক্ষে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সময় তাকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (৮ মে) দুপুরে বন্দর রেললাইন এলাকায় ১৭ নম্বর ভোটকেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
আটক মনির হোসেন হেলিকপ্টার প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহমুদুর হাসান শুভর পোলিং এজেন্ট হিসেছে বন্দর ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৭ নম্বর ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন। তবে তিনি নিজেকে আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের এজেন্ট হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথমে কান ধরে ক্ষমা প্রার্থনা করেন ওই পোলিং এজেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমি ভুল করেছি। এমনটা আর হবে না। আমার নাম মনির। আমি আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের এজেন্ট।’ তবে তার কার্ডে লেখা ছিল, তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহমুদুল হোসেন শুভর এজেন্ট।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চেয়ারম্যান প্রার্থী মাকসুদ হোসেন ও মাহমুদুল হোসেন শুভ সম্পর্কে বাবা-ছেলে।আটকের বিষয়ে বন্দর কলাবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আইয়ুব আলী ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা সবাইকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করেছি। কিন্তু তিনি মোবাইল ফোন ব্যবহার করায় তাকে সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বেলা ১২টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ২৪০ ভোট পড়েছে। মোট ভোটার ২৭৮২ জন। সকাল থেকে ভোটার সংখ্যা অনেক কম ছিল। এখন একটু বেড়েছে।’
এর আগে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সরকারি হাজী ইব্রাহিম আলম চান স্কুলের ভোটকেন্দ্র থেকে আরিফ নামে একজন পোলিং এজেন্টকে আটক করা হয়। তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী এমএ রশিদের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাকেও কেন্দ্রের ভোটকক্ষের ভেতর মোবাইল ফোন ব্যবহার করায় আটক করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ইস্তাফিজুল হক আকন্দ বলেন, ‘সকাল থেকে সুষ্ঠুভাবে ভোট চলছে। তবে ভোটার উপস্থিতি কম রয়েছে। আশা করছি, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার বাড়বে।’ পোলিং এজেন্ট আটক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে কেউ অনিয়ম বা অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এন. হুসেইন রনী /জেসি


