অবৈধ যানবাহনের সাথে বহাল অবৈধ স্ট্যান্ড
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৪, ১০:৫০ পিএম
শহরে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো, মিশুক শহরে প্রবেশ করে এ নতুন কিছু নয়। শহরে এ সকল পরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে কিছু কতিপয় সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ব্যাটারি চালিত অটো মিশুকে স্টিকার লাগিয়ে বছরের পর বছর চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে। এ সকল অটো মিশুক বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন সময় সচেতন মহল প্রতিবাদ করলেও কোন কাজে আসেনা।
কারণ এ সকল চাঁদাবাজরা বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি, প্রশাসন বিভিন্ন জনকে ম্যানেজ করেই শহরে দাবড়ে বেড়ায়। শুধু অটো মিশুক নয় কোন রকম কাগজপত্র ছাড়াই নারায়ণগঞ্জ শহরে সিএনজি, লেগুনা সহ অন্যন্য যানবাহন। আর এ সকল অবৈধ যানবাহনের কারণে নারায়ণগঞ্জ শহরের বেশ কয়েকটা পয়েন্টেই দেখা যায় অবৈধ স্ট্যান্ড।
তবে এই সকল কারনে নারায়ণগঞ্জ শহরে প্রতিনিয়তই যানজট লেগে থাকলেও ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কেউ নেই আসলে কে রুখরে তাদের কারই বা সাধ্য আছে। প্রশাসন, মেয়র, এমপি কাউকেই যেন তারা পরোয়া করেনা।
জানা যায় , নারায়ণগঞ্জ শহরে সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যা হচ্ছে অবৈধ যানবাহনের দৌরাত্ম্য। ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও অবৈধ সিএনজি বেপরোয়া চলাচলে অতিষ্ঠ নগরবাসী। কিছুদিন পূর্বেও শহরের প্রধান সড়কে প্রবেশ করতে পারত না এই 'মিনি দানব' ইজিবাইক। বর্তমানে অবাধে পুরো শহর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে 'মিনি দানব' ইজিবাইক।
ফলে প্রায় প্রতিদিনই একাধিক দুর্ঘটনা ঘটছে শহর ও শহরতলীতে। ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের দৌরাত্ম্যে সড়কে দেখা দিয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে যানজট।
নারায়ণগঞ্জের অবৈধ গাড়ি ও হকার সমস্যা নিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারী নারায়ণগঞ্জে প্রেস ক্লাবের আয়োজনে শহরে হকার উচ্ছেদ, যানযট নিরসন ও শহরে অবৈধ ব্যটারি চালিত অটো রিকশা-মিশুক চলাচল নিয়ে মেয়র, এমপি, জেলা প্রশাসক, এসপি ,সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে গোল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
এবং সেই অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ শহরকে কিভাবে পরিষ্কার করা যায় তা নিয়ে প্রত্যেকেই তাদের মতামত প্রকাশ করে এবং অনুষ্ঠানে প্রশাসন আশ্বাস দেয় নারায়ণগঞ্জ শহরকে পরিষ্কার করা যেই কথা সেই কাজ প্রথমেই নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া , বঙ্গবন্ধু সড়ক, মীর জুমলা সড়ক রেল লাইনের দু পাশসহ আশে পাশের যে সকল রাস্তা দখল করে হকাররা ব্যবসা চালাতো সেই সকল রাস্তাগুলো এখন পরিস্কার।
শুধু তাই নয় শহরের বেশকয়েকটি পয়েন্টে অবৈধ যে সকল স্টান্ড ছিলো সেগুলোও উচ্ছেদ করা হয়েছিলো। শহরের এমন পরিস্থিতি হওয়াতে জনসাধারণে চলাচলে অনেকটাই স্বস্তি ফিরে আাসে। তবে অবৈধ অটো মিশুকের থেকে মুক্ত হয়নি শহর । হকার ও অবৈধ স্টান্ড উঠলেও থেমে থাকেনি অনুমোদন বিহীন অটো রিকশা মিশুক।
তবে এগুলোর নেপথ্যে কতিপয় ভূঁইফোড় অনলাইন ও পত্রিকার স্টিকার লাগিয়ে এসব অবৈধ যান দেদারসে চলছে বলেও অভিযোগ আছে। গোটা শহরে ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ করছে সোর্স পরিচয়ধারী ইন্দ্রজিৎ, রায়হান, রাসেল নামের তিন ব্যক্তি।
শুধু তাই নয় মানবাধিকার পরিচয় দানকারী জয়নালআবেদন রাজু কখনো মানবাধিকার কর্মী, কখনো শ্রমিক নেতা আবার কখনো সাংবাদিক পরিচয়ে এ সকল অবৈধ পরিবহন গুলোকে স্টিকার লাগিয়ে বছরের পর রছর চাঁদাবাজি করে আসছে। এরা প্রশাসন ও কতিপয় রাজনৈতিক নেতাদের মাসোহারা দিয়ে অবাধে ইজিবাইক চালিয়ে পুরো শহরকে জিম্মি করে রেখেছে।
আর এ সকল অবৈধ অটো মিশুক বর্তমানে প্রায় কয়েক হাজার যা নারায়ণগঞ্জ সাইনবোর্ড ফতুল্লা সহ বিভিন্ন স্থান থেকে চাষাড়ায় প্রবেশ করে।
আরও জানা যায় , প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিশেষ পেশার নাম ব্যবহার করে বছরের পর বছর চালিয়ে যাচ্ছে এ সকল স্টিকার বাণিজ্যে শুধু তাই নয় তৃতীয় লিঙ্গের বিনদিয়া হিজলা নামে ৫শতাধিক এরও । আর যার মাধ্যমে এই অবৈধ অটো- মিশুক সিএনজি, লেগুনা হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা। এন. হুসেইন রনী /জেসি


