Logo
Logo
×

বিচিত্র সংবাদ

মার্কেটের সামনে দোকান বসিয়ে স্ট্যান্ডের নামে লাখ টাকা চাঁদাবাজি

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৪, ১০:৫৬ পিএম

মার্কেটের সামনে দোকান বসিয়ে স্ট্যান্ডের নামে লাখ টাকা চাঁদাবাজি
Swapno


কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা সংলগ্ন হাবিব শপিং কমপ্লেক্সে মার্কেটের সামনের ফুটপাতে অবৈধ দোকানপাট বসিয়ে মাসে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল। মার্কেটের সামনে প্রায় অর্ধশত অবৈধ দোকান থেকে প্রতিদিন ১০ হাজার টাকার অধিক চাদাঁবাজি করে চলেছে এই মহলটি। সেই হিসেবে প্রতি মাসে তিন লাখ টাকা আর বছরে ৩৬ লাখ টাকা এসব অবৈধ দোকানপাট থেকে চাদাঁবাজি করে চলেছে এই মহলটি।

 


জানা গেছে, শান্ত, সুমন মিলন, আলী ও সোহাগ নামের বেশ কয়েকজন এইসব অবৈধ দোকানপাট বসানো থেকে শুরু করে চাদাঁ তুলার সাথে জড়িত রয়েছে। তারা সবাই এদের মধ্যে শান্তর হাবিব শপিং কমপ্লেক্সে একটি দোকান রয়েছে। বাকিরা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাথে জড়িত। তবে এরা নিজেদেরকে মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি জুয়েল হোসেনের লোক বলে পরিচয় দিয়ে থাকে।

 


পরিচয় গোপন রেখে সরেজমিনে ওই এলাকায় দোকানদারদের সাথে আলাপকালে কয়েকজন দোকানদার জানান, তারা প্রতিদিন ২০০ টাকা করে ভাড়া দিয়ে এখানে দোকান বসিয়ে ব্যবসা পরিচলান করছেন। ফুটপাতের দোকানের জন্য কাদেরকে ভাড়া প্রদান করেন দোকানদার জানান, বাসস্ট্যান্ডের লোকেরাই এসে টাকা নিয়ে যায় প্রতিদিন। প্রতি দোকানের জন্য ২০০ টাকা করে নিয়ে যায়। প্রতিদিন বিকেলে সোহাগ নামের একজন আসেন।

 


হাবিব শপিং কমপ্লেক্সের নিচ তলার দোকানদারদের অভিযোগ, মার্কেটের সামনে রাস্তা বন্ধ করে এমন দোকান বসানের কারনে তাদের ব্যবসায়ও অনেক ক্ষতি হয়ে থাকে। মাকের্টের সামনের ফুটপাত পুরোপুরি ভাবে ঢেকে দিয়ে হয়েছে দোকান উঠিয়ে। দূর থেকে দেখে বুঝার উপায় নাই এসব টং ঘর গুলোর পেছনে মার্কেটের দোকান রয়েছে। এছাড়াও এসব দোকানপাট থেকে এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া গার্মেন্টের নারী শ্রমিকদের প্রায়শই ইভটিজিং করা হয়। এ নিয়ে প্রায়ই হট্টগোলের তৈরি হয়।

 


শ্রমিক ইউনিয়নের মিলন এ ব্যাপারে বলেন, আমাদের সম্পর্কে যেটা বলা হয়েছে সেটা ভুল বলছে। আপনারা মাঠ পর্যায়ে খবর নেন।
সোহাগ কে সে কেন টাকা নেন এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, সোহাগ কাকে টাকা দেয় আমি জানিনা। সোহাগ নামে আমাদের শ্রমিক ইউনিয়নে কেউ নাই। আমি সোহাগকে চিনি না। শান্ত সুমনকে চিনেন কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন তাদের হয়তো হাবিব কমপ্লেক্সে দোকান আছে। আলী, সুমন, শান্ত এরা কেউ শ্রমিক ইউনিয়নে নেই।

 


এ ব্যাপারে হাবিব শপিং কমপ্লেক্সের দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল আউয়ালের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমাদের সমিতির থেকে কোন প্রকার দোকান মার্কেটের সামনে বসানো হয়নি। শুনেছি বাস স্ট্যান্ডের লোকেরা নাকি এটা লিজ নিছে। যারা দোকান করছে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন কারা টাকা নেয়। আমি সমিতিতে মাত্র নতুন এসেছি। আগামী বুধবার আমাদের কমিটির পরিচিতি সভা রয়েছে। সেই সভার পর আমরা সবাই বসে একত্রিত সিদ্ধান্ত নিবো।     এন. হুসেইন রনী  /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন