# দায়িত্বরতকে দ্রুত অবগত করছি : উপ সহকারী প্রকৌশলী
# খুব দ্রুত সংস্কার করা হবে: সহকারী কমিশনার, পর্যটন সেল
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অধীনস্ত ডিসি থিম পার্কে বাতি জ্বলে না। সন্ধ্যার পর বাতি জ্বালানো হলেও থিম পার্কের লেখায় বাতি জ্বললেও বন্ধ থাকে ডিসি লেখা বাতি। একই অবস্থা নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) কার্যালয়ের। সেখানে এলজিইডি লেখার মধ্যে ইডি’তে বাতি জ্বলে থাকলেও বন্ধ থাকে এলজিইডি’র বাতি। এতে করে সৌন্দর্য্য হারাচ্ছে জেলা প্রশাসনের অধীনস্থ এই থিম পার্ক ও এলজিইডি অফিস।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নান্দনিক সৌন্দর্য্যে ঘেরা ডিসি থিম পার্কে জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ ঘুরতে আসে। তাদের মধ্যে কেউ ছবি তোলে কেউবা করে ভিডিও। দিনের বেলায় বিষয়টি বোঝা না গেলেও সন্ধ্যার পর সৌন্দর্য্য হারায় ডিসি থিম পার্ক। একইভাবে নারায়ণগঞ্জ এলজিইডি অফিসের সামনের দিকটা সৌন্দর্য্যমন্ডিত করা হলেও সন্ধ্যার পর সেখানে তাকালে উদ্ভট দৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
ডিসি থিম পার্ক পরিদর্শনে আসা বেশ ক’জন জানান, আমরা প্রায়শই এখানে আসি। নারায়ণগঞ্জ শহরে পর্যটন কেন্দ্র কম থাকায় মূলত এখানে আসা হয়। সবচেয়ে বড় বিষয় ডিসি থিম পার্কের নিরিবিলি পরিবেশ। সন্ধ্যায় এখানে ঘুরতে আসলে আমাদের বেশ ভালো লাগে। তবে, ডিসি থিম পার্কের লেখার মধ্যে অর্ধেক আলো জ্বলে আর বাকি অর্ধেক জ্বলে না।
এতে করে পার্কের প্রোফাইলটা অসুন্দর দেখা যায়। কারণ পার্কের মূল আকর্ষনই হচ্ছে ‘ডিসি থিম পার্ক’ লেখা। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক দিয়ে চলাচল করা হাজারো মানুষ যাতায়াতের সময় এই পার্ক থেকে দৃষ্টি ফেরাতে পারে না। তবে, লেখার মধ্যে অর্ধেক আলো থাকা আর অর্ধেক আলো না থাকায় বিষয়টি অসুন্দর দেখা যায়। আশা করছি খুব শীঘ্রই কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি সমাধান করবে।
এ বিষয়ে জানতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) মো. তামশিদ ইরাম খানকে মুঠোফোন করা হলে তিনি প্রতিবেদককে ধন্যবাদ জানিয়ে যুগের চিন্তাকে বলেন, খুব দ্রুত সংস্কার করা হবে।
এদিকে, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের বিপরীত পাশে এলজিইডি অফিসেও এই একই সমস্যা পরিলক্ষিত হয়। স্থানীয়রা বলছেন, এলজিইডি অফিসের সামনের দিকটা খুব সৌন্দর্য্যমন্ডিত করা হয়েছে। দেখতেও খুব ভালো লাগে। তবে, দীর্ঘদিন ধরে এলজিইডি লেখায় অর্ধেক বাতি জ্বলে আর বাকি অর্ধেক জ্বলে না।
সড়ক থেকে তাকালে মনে হয় এটা ইডি অফিস। কারণ এলজি লেখার মধ্যে অন্ধকার হয়ে থাকে। আর এই সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে। এতো বড় মাপের অফিস হয়েও কর্তৃপক্ষের নজরদারীর কারণে সৌন্দর্য্য হারাচ্ছে এলজিইডি অফিস। বিষয়টি দ্রুত কর্তৃপক্ষের দেখা উচিৎ।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয়ের (এলজিইডি) উপ সহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) রৎজিত কুমার মন্ডল যুগের চিন্তাকে বলেন, বিষয়টি জানা ছিল না। এখানে যিনি দায়িত্বে আছেন আমি তাকে দ্রুত অবগত করছি। আশা করছি খুব কম সময়ের মধ্যে এলজিইডি’র পুরো আলো জ্বলবে। এন. হুসেইন রনী /জেসি


