না.গঞ্জে নানা আয়োজনে পালিত হলো শিক্ষক দিবস
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২২, ০৮:২৯ পিএম
‘শিক্ষকদের হাত ধরেই শিক্ষাব্যবস্থার রূপান্তর শুরু’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জে শিক্ষা দিবস উৎযাপন করা হচ্ছে। শিক্ষকদের শ্রদ্ধা জানাতে, তাদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য এ দিবসটি পালন করা হচ্ছে। দিনটির শুরুতেই বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে নগরীর চাষাঢ়ার র্যালি বের করা হয়।
এরপর আলোচনা সভা, বৃক্ষ রোপন ও রক্ত দান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ বেলা রাণী সিংহের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ। সভায় বক্তব্য রাখেন সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিদৌরা বিনতে হাবিব, জেলা শিক্ষা অফিসার জনাব মোঃ শরিফুল ইসলাম।
সরকারি তোলারাম কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর শাহ মোঃ আমিনুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড.রুমন রেজা, মাসুদা বেগম, প্রধান শিক্ষক, নারায়ণগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, এস এম আবু তালেব উপজেলা শিক্ষা অফিসার,নারায়ণগঞ্জ সদর,জনাব মোঃ শাহজাহান অধ্যক্ষ নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা।
জনাব একেএম ইব্রাহিম সভাপতি শিক্ষক সমিতি, নারায়ণগঞ্জ সদর,জনাব সুলতানা বেগম রত্না, সভাপতি স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, নারায়ণগঞ্জ, জনাব আঃ সোবাহান সাধারণ সম্পদক, শিক্ষক সমিতি নারায়ণগঞ্জ সদর,জনাব মোঃ খলিলুর রহমান সহ:শিক্ষক, পিলকুনি সঃ প্রঃ বিঃ নারায়ণগঞ্জ সদরসহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
নগরীতে র্যালি শেষে চাষাঢ়া শহিদ মিনারে আলোচনা সভায় জেলা শিক্ষা অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের না পাওয়া অনেক কিছুই আছে। কিন্তু যা কিছু পেয়েছি, সেটাও কম নয়। ক‘দিন আগেই বেসরকারি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা ২৭ হাজার টাকা বেতন পেতেন। এখন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারি শিক্ষকের বেতন ২৯ হাজার ৩৭০ টাকা।
এটা প্রধানমন্ত্রীর অবদান, এ ধারা অব্যহত থাকলে অচিরেই বেতন ৬০ হাজার টাকা হয়ে যাবে। এই করোনার কালেও প্রায় ৩ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকার এমপিও ভূক্ত করেছে। বেলা রাণী সিংহ জানান, শিক্ষকদের জন্য এই দিনটিকে সরকারি ভাবে উৎযাপন করার নির্দেশ দেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।
আমরা শিক্ষক, আমাদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। আমরা যদি একজন ছেলে মেয়েকে শিক্ষিত না করি, তাহলে আগামী প্রজন্ম শিক্ষিত হবে না। তাই সকল দেশেই শিক্ষকরা থাকেন মাথার উপরে। এ বিষয়টি আমরা সব সময় শুনে আসছি, কিন্তু কখনোই আমরা মাথায় ছিলাম না।
আমাদের অনেক বঞ্চনা, অনেক কষ্ট আছে। তারপরেও সরকার আমাদের মূল্যায়ন করছে। এ জন্য আবারও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। সভা থেকে প্রতিজন শিক্ষককে ফলজ, বনজ ও ঔষধি ৩টি গাছ রোপণ করা হয়। একই সাথে রক্ত দান ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এন.এইচ/জেসি


