শীতলক্ষ্যা ওয়াকওয়ে এখন ময়লা আবর্জনার দখলে
হাসিবা নিঝুম
প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৮:৫৮ পিএম
সারদিনের ক্লান্তি দূর করে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার জন্য মানুষের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে তৈরি করা হয় শীতলক্ষ্যা ওয়াকওয়ে। শহরের যান্ত্রিক জীবন থেকে পেরিয়ে প্রশান্তির খোঁজে নদীর তীরে ছুটে আসে মানুষ। কিন্ত এই মনোরম সৌন্দর্যের স্থান বা নারায়ণগঞ্জ বি আই ডব্লিউ টি এ নির্মিত শীতলক্ষ্যা ওয়াক ওয়ে যা এখন ময়লার দখলে।
নদীর তীরের সৌন্দর্য ও প্রচুর অর্থ ব্যায় করে এই ওয়াকওয়েটি তৈরি করা হয়। তবে এখন ওয়াকওয়ের পাশের রাস্তা কিংবা শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী স্থান যেন ময়লা আর্বজনার স্তুপ হয়ে রয়েছে। বৃষ্টি আসলে ময়লা আবর্জনা গুলো গিয়ে নদীর পানিতে মিশে ফলে দূষণ হচ্ছে নদীর পানি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাসা বাড়ির যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা কিংবা কলকারখানার বর্জ্য ইত্যাদি নদীরপার বা ওয়াকওয়ের রাস্তার পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এই দুর্গন্ধের কারণে কেউ কেউ নাকে রুমাল চেপে চলাচল করছেন। স্থানীয়রা জানান, বেশ কয়েকদিন জাবত ধরে দেখছি এই ময়লা আর্বজনাগুলো এখানে পড়ে রয়েছে দেখার নেই কেউ তাছাড়াও ময়লা আর্বজনার দুর্গন্ধে অতিষ্ট হয়ে পড়ছেন এলাকাবাসী ও পথচারীরা।
ওয়াকওয়ের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া সুমন নামের একজন পথচারী জানায়, তিনি প্রতিদিন এই পথ দিয়ে হেঁটে কাজে যান। এই ময়লা আর্বজনার দুর্গন্ধে নাক চেপে যাতায়াত করতে হয় তার। এমনকি কাজের ফাকেঁ কিছুটা স্বস্তির জন্য নদীরপারে আসে তবে এই ময়লার আবর্জনার দুর্গন্ধের কারনে ঠিকমতো বসা যায়না।
এই ময়লা আর্বজনাগুলো যদি পরিষ্কার করা হয় তাহলে সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ বিরাজ করবে। এ বিষয়ে আরেকজন পথচারী নাজমা জানান, রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় বাতাসের মাধ্যমে ময়লা আর্বজনার পঁচা র্দুগন্ধ নিশ^াসের সথে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ি। ফলে এই ময়লা আর্বজনার কারণে নানা রোগের সৃষ্টি হয়।
এমনকি শরীল স্বাস্থ্য দুটোর জন্যই অকল্যান কর। এবং এই ময়লা আবর্জনা গিয়ে পানিতে মিশে নদীর পানি দূষিত করছে। নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক শহীদ উল্লাহ বলেন, ওয়াকওয়ের পাশের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করার দায়িত্ব আমার না।
এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী (ওয়াকওয়ে প্রকল্প পরিচালক) এজেডএম শাহনেওয়াজ কবির এর সাথে যোগাযোগ করেন। পরে শাহনেওয়াজ কবির এর মুঠোফোনে কয়েকবার কল দিলেও তিনি কলটি রিসিভ করেননি। এন. হুসেইন/ জেসি


