Logo
Logo
×

অর্থ ও বাণিজ্য

গুলিতে নিহত ম্যানেজার কাজলের শোকে শোকাহত শহর, লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

Icon

এম সুলতান

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১০:৩২ এএম

গুলিতে নিহত ম্যানেজার কাজলের শোকে শোকাহত শহর, লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
Swapno


# বাড়িওয়ালা আজহার ও তার পুত্রের দুই দিনের রিমাণ্ড আদালত


নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ার নবাব সলিমুল্লাহ সড়কে ‘সুলতান ভাই কাচ্চি রেস্তোরার’ ম্যানেজার সফিকুর রহমান কাজল (৫০) হত্যাকাণ্ডকে প্রকাশ্যে গুলির ঘটনায় ৩০২ ধারা যুক্ত করে আদালতে রিমাণ্ড শুনানী শেষে আসামী আঙ্গুরা প্লাজার মালিক আজহার তালুকদারকে (৬৫) ও তার পুত্র আরিফ তালুকদার মোহানকে  দুই দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।  

 

 

রেস্তোরা’র ম্যানেজার সফিকুর রহমান কাজল সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেকে) হাসপাতালে মারা যান । নিহত সফিকুর রহমান কাজল নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের শাহ আলমের ছেলে। কিন্তু  তিনি বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকায় বসবাস করতেন।

 

 

তার মৃতদেহ মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চাষাঢ়া তার কর্মস্থলে শেষবারের মত নিয়ে আসেন। তার মৃতদেহ সামনে রেখে সুমাইয়া বিরানী হাউজ এর সকল কর্মচারী ও কর্মকতারা তার হত্যার বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করে।  এসময় তারা বলেন, অস্ত্র কাকে দেওয়া হয়, সে অস্ত্র বহন করার যোগ্য কিনা তা দেখে প্রশাসনের অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া উচিৎ।

 

 

একই সাথে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি ও আজহার তালুকদারের বিচার চাই। যারা এ ঘটনার সাথে জড়িত তাদের বিচার চাই ও খুনির আজহার এর ফাঁসির দাবী করেন তারা।  প্রথম আসামী আজহার তালুকদারের বিচারের দাবি করে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শামীমা বেগম বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন আমরাও এঘটনার বিচার চাই।

 

 

রবিবার রাতে ঘটনার পরে সুলতান ভাই কাচ্চি’র মালিক শুক্কুর গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আজহার তালুকদার এসে বলে পানির বিল বাবদ আপনাকে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। আমরা ১০ লাখ টাকা ঋণ হয়ে গেছি। আমি বললাম ১০ টাকা কেনো দিবো। আমি তো আপনার কাছ থেকে দোকান নেই নাই।

 

 

আমার বাড়িওয়ালা; আপনার ভাই আজিজুল হক। আর আমি তো পানির বিল প্রতিমাসে দিয়েই যাই। পানিসহ আমার ৮০ হাজার টাকা ভাড়া। পানির জন্য ৫ হাজার, আর ভাড়া ৭৫ হাজার। তারর পরে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে আজাহার আমাকে খারাপ ভাষায় গালমন্দ করে। পরে আমিও গালি দেই।

 

 

এরপর সে বলে দাড়া আমি বাসা থেকে আসতাছি একথা বলে সে চলে যায়। তার একটু পরে এসে সে গুলি করে তাতে আহত হন রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার সফিকুর রহমান কাজল (৫০), কর্মচারী ইউনুস, (৩৫) আউয়াল (৩০) ও জনি (১৬) ও আজাহার তালুকদারের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে আঁখি (১৭) এর মধ্যে কাজলের অবস্থা ছিলো খুবই গুরুতর।

 

 

ম্যানেজার শফিউর রহমান কাজল ও কর্মচারি জনি পরে গুলিবিদ্ধদের গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মার্কেট মালিক আজাহার তালুকদার ও তার ছেলেকে একপি শটগান ও একটি পিস্তল সহ আটক করেন।

 

 

গতকাল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত সাহারা বীথির আদালত তাদের দুইজনের দুই দিনের রিমাণড মঞ্জুর করে। এন.এইচ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন