Logo
Logo
×

অর্থ ও বাণিজ্য

টাকা দিয়ে সড়কে ভোগান্তি পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:৪৯ পিএম

টাকা দিয়ে সড়কে ভোগান্তি পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ
Swapno

 

♦ চাষাড়া মোড়ে অটো ১০/২০ এবং মৌমিতাকে ৩০/৫০ টাকা গুনতে হয় চালকদের
♦ মোৗমিতা বা অটো থেকে ট্রাফিক পুলিশ টাকা গ্রহণ করলে ব্যবস্থা নিবো : অতি.এসপি

 

 

দেশের শীর্ষ ধনী জেলা নারায়ণগঞ্জের অন্যতম সমস্যা যানজট। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অসঙ্গতি, জনবল সংকট, চালকদের খামখেয়ালীপনা ও মার্কেটগুলোতে গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা না রাখাসহ নানা কারণে যানজটের সৃষ্টি হয় পুরো শহর জুড়ে। সাধারনণ মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে যানজট যার অন্যতম প্রধান কারণ হলো শহরে ট্রাফিক পুলিশ। কারণ অবৈধ অটো রিক্সা ও মৌমিতা পরিবহন থেকে চাদাঁবাজি।

 

চাষাড়া মোড়ে অটো প্রতি ২০ টাকা ও মৌমিতা পরিবহন থেকে ৩০/৫০ টাকা গুনতে হয় চালকদের। সেই টাকার বিনিময় ১০/১৫ মিনিট দরে শিগনাল দিয়ে রাখে ট্রাফিক পুলিশ এর কনস্টেবল তাতে ভারি হয় তার পকেট। আর ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ মানুষের তীব্র গরমে যানজটে পরে ৫ মিনিটের রাস্তায় সময় লাগে ৩০/৪০ মিনিট। ট্রাফিক পুরিশের টাকা নেওয়ার বেশ কিছু ভিডিও ভাইরাল হলেও তেমন একটা ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় তাদের বিরুদ্ধে।

 

এদিকে মরার উপরে খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে শহরের মার্কেট গুলো। চাষাড়া থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু রোড হয়ে ২নং রেলগেট পর্যন্ত সড়কের দু’পাশের বেশিরভাগ মার্কেটগুলোতে নেই কোন পার্কিং ব্যবস্থা। তাই রাস্তার পাশেই যত্রতত্র যেখানে সেখানে মার্কেটের বাহিরে রাস্তার পাশেই পার্কিং করে চালকরা।

 

তবে অবৈধ পরিবহন অটোরিক্সা শহরে যাতে না ধরে তার জন্য ট্রাফিক পুলিশ এর পক্ষে থেকে চারটি রেকার পরিচালনা করা হয় কিন্তু তাতেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না কারণ নারায়ণগঞ্জ শহরে সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যদের নামে বেনামে স্টিকার এর লাগিয়ে শহরে চলচল করছে এসব অবৈধ পরিবহন অটোরিক্সা। তবে স্টিকার লাগানো গাড়ি গুলোকে পুলিশ ধরছে না যদি আবার ধরা তাহলে ডামপিংয়ে তাকা তাদের মেনেজার সে গাড়ি গুলোকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে সেখান থেকে।

 

দিনের বেলা যেকোন সময় ডামপিংয়ের স্থানে গেলে দেখা মিলে সে সকল লোকদের যাদের কাজ হলো পুলিশের সাথে থেকে যে সকল গাড়িতে স্টিকার নাই সেগুলা আটক করা। এদিকে অটো চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ট্রাফিক পুলিশের সাথে মানিত হিসাব করে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ এসব গাড়ি। 

 

সরেজমিনে নগরীতে দেখা যায়, মার্কেটগুলোতে গাড়ী নিয়ে এসে রাস্তার মধ্যে পার্কিং করে রেখেছে চালকরা। চাষাঢ়া খাজা সুপার মার্কেটের দুই পাশেই একাধিক গাড়ি রাখা হয়েছে। উত্তর পাশে শাপলা ব্যাটারী হাউজের পাশে মেরমাতের জন্য প্রতিদিন একাধিক গাড়ি সড়ক দখল করে পার্কিং করে রাখে।

 

শহীদ মিনারের দক্ষিণ পাশে একটি গ্যারেজের সামনে দিন রাত গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এছাড়া শহরের উকিল পাড়া, ক্লাব মার্কেট, পুরান কোর্ট এলাকা, ২ নং রেলগেট, ডিআইটি এলাকায়ও সড়ক দখল করে অবৈধভাবে পার্কিং করে রাখা হয় গাড়িগুলো। আবার কোন কোন মার্কেট গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা রাখলেও তা ভাড়া দিয়ে দিয়েছে।

 

গলাচিপার মোড়ে পথচারী রবিন বলেন, আমার শহরে রিক্সায় উঠলে পাঁচ মিনিটে রাস্তায় সময় লাগে ২৫/৩০ মিনিট লাগে কারণ শহরের চাষাড়া মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ যে সিগন্যাল দেয় সেটা যদি অল্প কিছু হতো তাহলে চলতো কিন্তু তারা যা বড় সিগন্যাল দেয় সেটা শহরে জ্যাম আরো বেশি বড় হয়। রিক্সায় উঠলে ভাড়া দিতে হয় কিন্তু ভাড়া দিয়ে সময় মত সঠিক স্থানে যাওয়া যায় না। তাহলে কি আমরা টাকা দিয়ে ভোগান্তি কিনছি। 

 

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) রুহুল আমিন সাগর বলেন, বর্তমানে অবৈধ পরিবহনের বিরুদ্ধে আমরা কোন ধরনের অভিযান পরিচালনা করছি না। যার কারণ শহরে চাষাড়া শীতল কাউন্টার এর পর থেকে বেশ কিছু অংশের কাজ চলছে তাই রাস্তা কাটা রয়েছে।

 

তবে মৌমিতা ও অটো থেকে পুলিশ টাকা নেয় কিনা সেটা আমার জানা নাই সেটা আমি নিজে খোঁজ খবর নিয়ে দেখবো। যদি এমন কাউকে দেখা যায় বা পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এটা বলতে পারি। আপনারা হয়তো দেখেছেন এর আগে এমন খবরে অনেককে এ জেলা ছাড়া করেছি। এস.এ/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন