রোগীর পেটে গজ রেখেই ডেলিভারী করার অভিযোগ উঠেছে খানপুর হাসপাতালের গাইনী চিকিৎসক মিনারা শিকদারের বিরুদ্ধে। তিন মাস পর অপারেশন করে ওই গজ বেড় করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ওই রোগীর নাম আখিঁ বেগম। সে শহরের খানপুর এলাকার বাসিন্দা।
গত রবিবার প্রাইম জেনারেল হাসপাতালে আখিঁকে ফের অপারেশন করা হলে এই ঘটনা জানাজানি হয়। এ নিয়ে রোগীর স্বজনরা ডা. মিনারা শিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে এই ঘটনা মিমাংসার জন্য দেনদরবারও চলছে।
ঘটনার শিকার আখিঁ বেগম জানান, গত ফেব্রয়ারী মাসে তার পেটে মৃত বাচ্চা প্রসব করানোর জন্য ডা. মিনারা শিকদারের কাছে যান। পরবর্তিতে ডা. মিনারা আখিঁকে খানপুর শাহিন ক্লিনিকে ভর্তি করে নরমাল ডেলিভারীর মাধ্যেমে মৃত বাচ্চা প্রসব করান। অভিযোগ রয়েছে ওই সময় মিনারা শিকদার রোগীর ইউটাস পরিস্কার করার সময় ভিতরে গজ রেখেই সেলাই করে রোগীকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।
এরপর থেকে আখিঁ’র শুরু হয় পেটের ব্যথা। দুই তিন সপ্তাহ কেটে গেলেও তার পেটের ব্যথা কমার কোন লক্ষণ দেখা না যাওয়ায় আবারো ডা. মিনারা শিকদারের কাছে যান আখিঁ বেগম। এসময় ডাক্তার মিনারা শিকদার আখিঁকে পুনরায় বিভিন্ন পরিক্ষা-নিরীক্ষা করান। কিন্তু তারপরও ডা. মিনারা জানাননি যে, আখিঁ বেগমের পেটে গজ সদৃস্য কোন বস্তু রয়েছে।
প্রায় তিন মাস ধরে পেটের ব্যথা নিয়ে আখিঁ বেগম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে। পরবর্তিতে স্বজনরা গাইনী চিকিৎসক ডা. জাহাঙ্গীর আলমের কাছে আখিঁকে নিয়ে গেলে প্রাইম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে পেট থেকে গজ বের করা হয়। বর্তমানে আখিঁ সুস্থ রয়েছেন। এই ব্যপারে ডা. মিনারা শিকদারের বক্তব্যের জন্য বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


