বৃহস্পতিবার থেকে ৯ দিন শিথিলের পর ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২১, ০৫:৫৭ পিএম
ঈদুল আজহা উপলক্ষে করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে ঘোষিত চলমান বিধিনিষেধ ৯ দিনের জন্য শিথিল করলো সরকার। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে ৯ দিন বিধিনিষেধ শিথিল রাখার কথা জানিয়ে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একই সাথে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত আগের মতোই কঠোর বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়।
উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন, জনসাধারণের যাতায়াত, ঈদ পূর্ববর্তী ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা, দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে আগামী ১৪ জুলাই মধ্য রাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত আগে আরোপিত সকল বিধিনিষেধ শিথিল করা হলো। তবে এ সময় সর্বাবস্থায় জনসাধারণকে সতর্ক অবস্থায় থাকা এবং মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করার কথাও বলা হয়েছে।
একই প্রজ্ঞাপনে এর পরের ১৪ দিন ফের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করার কথাও বলা হয়েছে। ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ চলাকালে আগের মতোই সবধরনের সড়ক, রেল ও নৌপথসহ সকল প্রকার গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে শপিংমল বা মার্কেটসহ সকল দোকানপাটও বন্ধ থাকবে।
চলমান কঠোর বিধিনিষেধের সময়ে পোশাক (গার্মেন্টস) কারখানা খোলা থাকলেও ঈদের পরে বিধিনিষেধে পোশাক কারখানাসহ সবধরনের শিল্প কারখানাই বন্ধ থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে ঈদের পরের বিধিনিষেধ চলাকালে সরকারি কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। সেসময় দাফতরিক কাজগুলো ই-টেন্ডারিং, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ- এর মতো মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, করোনা মহামারিতে দেশের পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে চলে গেলে চলতি মাসের ১ তারিখ থেকে সারাদেশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। তারপরও পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেনি। গতকালও আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৩ হাজার ৭৬৮ জন মানুষের শরীরে করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। যা মহামারিকালে বাংলাদেশে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্ত শনাক্ত। এই সময়ে মারাও গেছেন ২২০ জন।


