Logo
Logo
×

স্বাস্থ্য

না’গঞ্জে করোনার টিকার আওতায় আসেনি কয়েক লাখ লোক

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৮:৫৮ এএম

না’গঞ্জে করোনার টিকার আওতায় আসেনি কয়েক লাখ লোক
Swapno

# প্রথম, দ্বিতীয় ও বুষ্টার ডোজ নিয়েছে ৩১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৯০ জন
# ৬০ ভাগ লোক টিকা নিয়েছে, এই বছরেই সবাই টিকা নিবে : সিভিল সার্জন


চলতি বছরের শেষ নাগাদ বুষ্টার ডোজসহ সবার টিকাদান শেষ হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। এসময় মন্ত্রী  নারায়ণগঞ্জসহ সারাদেশের ২ কোটি মানুষ টিকা নেয়নি বলে জানান তিনি। যার মধ্যে নারায়ণগঞ্জে প্রায় কয়েক লাখ লোক টিকার আওতার বাইরে আছেন।

 

দেশের টার্গেটেড ৮২ শতাংশ মানুষকে টিকা দেয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এদিকে নারায়ণগঞ্জে টিকার বাইরে থাকা ব্যক্তিদের অধিকাংশই ফ্লোটিং কিংবা ভ্রাম্যমাণ মানুষ বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন এএফএম মশিউর রহমান। তিনি বলেন, ভাসমান জনগোষ্ঠী  নিয়ে আমরা কাজ করছি। প্রায় ৬০ ভাগ লোককে ইতিমধ্যে টিকা দেয়া হয়ে গেছে।

 

ভাসমান লোকজনের বিষয়ে আমরা ভ্রাম্যমাণ টিকা কেন্দ্র স্থাপন করছি। নারায়ণগঞ্জে প্রচুর মানুষের আনাগোনা। তাদের অনেকেই হয়তো টিকার প্রথম ডোজ কিংবা দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। এখানে বসবাসরতদের অধিকাংশ লোকই ইতিমধ্যে টিকার আওতায় চলে এসেছে। বাকিরাও খুব শীঘ্রই টিকা নিয়ে নিতে পারবে।

 

নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে করোনার টিকার প্রথম ডোজ, দ্বিতীয় ডোজ এবং বুষ্টার ডোজ মিলিয়ে ৩১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৯০ জনকে প্রদান করা হয়েছে।যার মধ্যে নারায়ণগঞ্জে করোনার টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে ২০ লাখ ২৬ হাজার ৬৫৭ জনকে। করোনার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১১ লাখ ৩ হাজার ৪৭৪ জন। বুস্টার ডোজ গ্রহণ করছেন ৪৩ হাজার ২৫৯ জন।


প্রদান করা টিকাগুলোর মধ্যে মর্ডানার টিকা প্রথম, দ্বিতীয় ও বুষ্টার ডোজ মিলে সর্বমোট নিয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৩ জন। ফাইজারের টিকা প্রথম, দ্বিতীয় ও বুষ্টার ডোজ মিলে সর্বমোট নিয়েছেন ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৬ জন। সিনোফার্মের টিকা নিয়েছেন ১৪ লাখ ২৯ হাজার ৯২৭ জন। সিনোভ্যাক এর টিকা নিয়েছেন ২৪ হাজার ৭৫৫ জন এবং আস্ট্রোজেনেকার টিকা নিয়েছেন ১১ রাখ ৩৪ হাজার ৯৬৯ জন।


প্রসঙ্গত, সারাদেশে প্রথম করোনার ভ্যারিয়েন্ট ধরা পড়ে নারায়ণগঞ্জে ২০২০ সালের মার্চে। নারায়ণগঞ্জেই প্রথম করোনার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে করোনার এপিসেন্টার ও হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হয় নারায়ণগঞ্জ।

 

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে,  গত ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় মারা গেছেন ১৪৯ জন ও আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ২০১ জন, সদরে মারা গেছেন ৫৯ জন ও আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ১৩৩ জন, বন্দরে মারা গেছেন ৩২ জন ও আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮৭৭ জন, রূপগঞ্জে মারা গেছেন ১৯ জন ও আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ১৮৯ জন, সোনারগাঁয়ে মারা গেছেন ৬৮ জন ও আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১২১ জন এবং আড়াইহাজারে মারা গেছেন ৪ জন ও আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৪৮ জন।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন