কার স্বার্থে অবৈধ সেতু জেনারেল হাসপাতালে অভিযান বন্ধ
আরিফ হোসেন
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২২, ০৫:৩৬ পিএম
# অনুমোদন না নিয়েই বছরের পর বছরের পর সেবার নামে প্রতারণা করছে এই প্রতিষ্ঠান
সারাদেশেই অবৈধ ক্লিনিক ,ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলোর ব্যাপক ভাবে অভিযান চালাচ্ছেন সিভিল সার্জনরা। তারই ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জে ক্লিনিক, ডায়গনস্টিক সেন্টার বৈধ ও অবৈধের তালিকায় দেখা যায় ১৫৪ টি রয়েছে বৈধর তালিকায় আর অবৈধের তালিকায় রয়েছে ৪৭ টি । তালিকা প্রকাশের পর থেকেই অভিযানে নেমেছিলেন সিভিল সার্জন ।
তবে তাদের অভিযান অনেকটাই ছিল ঢিলেঢালা। পুরো নারায়ণগঞ্জ জুড়ে অবৈধের তালিকায় ৪৭ টি থাকলেও অবৈধর তালিকা তার থেকে দ্বিগুন হবে । অবৈধের তালিকায় যে সকল হাসপাতাল রয়েছে তাদের এই অভিযানের মধ্যে দিয়ে দেখা গেছে বেশিরভাগ সময় সিদ্ধিরগঞ্জে চালালেও বাকি জায়গাগুলোতে তেমন তাদের অভিযান করতে চোখে পরেনি । এমনকি এমন এমন কিছু জায়গাতে দেখা গেছে ক্লিনিকগুলো বৈধর তালিকায় নেই এমনকি অবৈধর তালিকাতেও নেই ।
এমনি এক ক্লিনিকের দেখা মিলেছে ফতুল্লার কুতুবআইল এলাকায় যার নাম সেতু জেনারেল হাসপাতাল আর যেটি কোন বৈধর তালিকায় নেই এমনকি অবৈধর তালিকায় নেই । কিন্ত কোন এক ফ্লাট বাসা ভাড়া নিয়ে অবৈধভেোব তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি সেতু ক্লিনিক কতৃপক্ষ তারা নিজেরাই স্বীকার করেছেন তাদের কোন রকম বৈধতা নেই। বৈধতার জন্য আবেদন করে রেখেছেন এমনটিই জানিয়েছেন তারা ।
তবে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থেকেই যাচ্ছে ,অবৈধ এই সকল ক্লিনিক, ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলোর তথ্য থাকলেও তারা এই সকল ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে কোন রকম ব্যবস্থা নিচ্ছে না । তাই তাদের এই ব্যর্থতা জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন তুলেছে। অনেকেই মনে করছেন তারা তাদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য এই সকল ক্লিনিকগুলা খোলা থাকার পরেও তারা কোন ব্যবস্থা বা অভিযান চালায়নি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এই ক্লিনিকগুলো কোন রকম ডাক্তার, নার্স ছাড়াই আয়া, বুয়া দিয়ে চালায় তাদের কার্যক্রম, অপারেশন করার যন্ত্রপাতি নেই তার পরেও তারা অপারেশন করছে । আর এই সকল অপারেশনের মাধ্যমে অপচিকিৎসার কারণে অকালেই ঝরছে প্রাণ। তাই অনেকেই মনে করছেন এই সকল অবৈধ ক্লিনিক গুলোর বিরুদ্ধে অতিদ্রুত ব্যবস্থা না নিলে তারা খুব ভয়ংকর আকার ধারণ করবে। তাই সিভিল সার্জনের উচিৎ ব্যাপকভাবে অভিযান চালিয়ে ক্লিনিকগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া ।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন মশিউর রহমানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেন এবং যুগের চিন্তা পত্রিকার নাম শুনেই জুম মিটিং এ আছেন বলে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কলটি কেটে দেন।এমই/জেসি


