Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

রূপগঞ্জে অত্যাধুনিক ফ্লাওয়ার মিলের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী গাজী

Icon

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২১, ০৮:১২ পিএম

রূপগঞ্জে অত্যাধুনিক ফ্লাওয়ার মিলের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী গাজী
Swapno

রূপগঞ্জে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী সিটি গ্রুপের মালিকানাধীন সিটি ইকোনমিক জোনে ‘রুপসী ফ্লাওয়ার মিল’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীরপ্রতীক)।

 

শুক্রবার (১২ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সিটি ইকোনমিক জোনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অত্যাধুনিক এই ফ্লাওয়ার মিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এই উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

 

এ সময় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী ও সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফজলুর রহমান এই কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া বর্ণনা করেন।

 

তারা জানান, সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ‘বুলার’ থেকে আনা হয়েছে কারখানার যাবতীয় মেশিন ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি। এখানে দৈনিক ৫ হাজার টন আটা, ময়দা ও সুজি উৎপাদন করা হবে। এখানে কাঁচামাল থেকে পণ্য উৎপাদন এবং ট্রাকে পণ্য লোড দেয়া সবকিছুই হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে।

 

তারা জানান, কারখানার সাইলো (কাঁচামাল রাখার জায়গা) থেকে কাঁচামাল প্রথমেই যাবে ম্যাগনেটিক সেপারেশন মেশিনে। যেখানে গমে লোহাজাতীয় উপাদান থাকলে তা আলাদা করবে। এরপর বাছাইকৃত কাঁচামাল যাবে টাচ মেশিনে। সেখানে প্রাথমিকভাবে গম পরিষ্কার হয়ে তারপর বিন হয়ে চলে যাবে ভেগা সেপারেটর মেশিনে। এই মেশিন চালুনি হিসেবে কাজ করে। গমের চেয়ে বড় কিংবা ছোট দানাগুলোকে আলাদা করে ভেগা সেপারেটর।

 

এরপর গমে থাকা পাথর বের করে দেয় ডি স্টোনার মেশিন। পরে এসপারেটর মেশিনে বাতাসের মাধ্যমে গমের চেয়ে পাতলা দানা আলাদা করে নেয়। স্কোরার গমের গায়ের ময়লা পরিষ্কার করে গমগুলোকে কালার সটার মেশিনে পাঠায়। এখানে ৩০টি ক্যামেরার মাধ্যমে গমে থাকা ভুট্টা, সয়াবিন ও ডাবরিসহ অন্যান্য উপদান শনাক্ত এবং বাছাই করা হয়। আদ্রতা নিয়ন্ত্রণ করা হয় এমওয়াইএফডি মেশিনে। এরপর গমগুলোকে ২৪ ঘণ্টা বিনে রেখে পণ্য উৎপাদনের জন্য ক্রায়িংয়ে পাঠানো হয়।

 

তারা আরো জানান, গমের পুষ্টিগুণ পরিমাপ করার জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক এনআইআর মেশিন। যে মেশিনের ডিসপ্লেতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গমের পুষ্টিগুণের তথ্য ভেসে উঠে। এছাড়া কারখানার মেঝে পরিষ্কার করার জন্য রয়েছে অটোমেশন হাউস কিপিং সিস্টেম। মেঝেতে ময়লা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টেনে নেবে এই মেশিন।

 

এই কারখানায় স্থানীয় দেড় হাজার মানুষ কাজের সুযোগ পাবেন। যার প্রায় ৬০০জনই নারী কর্মী।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন