Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

রূপগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট, ভোগান্তিতে গ্রাহক

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৯:২৫ পিএম

রূপগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট, ভোগান্তিতে গ্রাহক
Swapno

গ্যাস নেই তাই মাটির চুলাই এখন শেষ ভরসা। ভোর হতে না হতেই তিতাস গ্যাসের লুকোচুরিতে সারাদিনই কাটছে গ্যাসহীন। সন্ধ্যায়ও তেমন একটা থাকে না। মাঝে মাঝে গ্যাস একটু আধটুকু আসে তাও খুব অল্প সময়ে জন্য। তাই বাধ্য হয়ে গৃহিণীদের মাটির তৈরী চুলা ও গ্যাস সিলিন্ডারে রান্না করতে হচ্ছে। অনেকে আবার রেস্তোরা থেকে খাবার কিনে আনছেন। রূপগঞ্জ উপজেলায় তীব্র গ্যাস সংকটে গত প্রায় ১০ দিন ধরেই এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে।


 
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়,  রূপগঞ্জ উপজেলায় তিতাস গ্যাসের প্রায় ৭ হাজার বৈধ আবাসিক গ্যাস সংযোগ রয়েছে। গত এক সপ্তাহেরও বেশী সময় ধরে রূপসী, বরপা, তারাব, ভুলতা, গোলাকান্দাইল, কাঞ্চন, শান্তিনগর, কাজীপাড়া, দক্ষিণ রূপসী, মৈকুলী, মুড়াপাড়া, আমলাবোসহ উপজেলার বেশিরভাগ এলাকায়ই নেই গ্যাসের সরবরাহ। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, অধিকাংশ এলাকায় বেশীরভাগ সময়ই গ্যাসের চুলায় আগুন জ্বলছে না, মাঝেমধ্যে আবার জ্বলছে নিভু নিভু করে। খুব কম সময়ই আছে যখন আগুন জ্বলে। এতে তাদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্যাসের চাপ নেই বললেই চলে।

 

রূপসী এলাকার বাসিন্দা আতাউর রহমান সানী জানান, গ্যাস না থাকায় বাধ্য হয়ে বাড়িতে  লতাপাতা কুড়িয়ে এনে মাটির চুলায় রান্না করছে আমার মা। গ্যাস সকালে গেলে সন্ধ্যায়ও আসে না। মাঝেমাঝে যেটুকু থাকে সেটুকু দিয়ে সহজে পানিও গরম হয় না। এই সমস্যা থেকে কবে মুক্তি পাবো জানি না। গোলাকান্দাইলের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর মাহমুদ বলেন, গ্যাস সংকট নিরসনে কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। চায়ের দোকানি দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি বাড়িতে ছোট একটি চায়ের দোকান দিয়ে সংসার চালাই। সারাদিন গ্যাসের চাপ এতই কম থাকে যে চায়ের কেটলির পানিও গরম হতে ঘণ্টাখানেক সময় লেগে যায়। তাই বাধ্য হয়ে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করছি। গ্যাস না থাকায় গ্যাস বিলের পাশাপাশি অতিরিক্ত খরচ বহণ করতে হচ্ছে। গত ১০ দিন ধরে এ সমস্যা পোহাচ্ছি।

 

ভুলতা এলাকার গৃহবধূ সখিনা আক্তার জানান, দিনের বেলায় গ্যাস থাকে না, তাই রাতেই রান্নার কাজ সেরে ফেলতে হয়। গ্যাস না থাকলে বাধ্য হয়ে মাঝে মধ্যে রেস্তোরা থেকে খাবার কিনে আনতে হয়। আবার কখনো না খেয়েই ঘুমাতে হয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সোনারগাঁও আঞ্চলিক শাখার বিপণন বিভাগের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মেজবাউর রহমান জানান, তিতাস গ্যাসের সাপ্লাই কম তাই গ্যাসের প্রেসার কমে গেছে। তবে এ সমস্য শীঘ্রই দূর হয়ে যাবে বলে আশা করছি।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন