লকডাউনেও থেমে নেই কিস্তি আদায়, বিপাকে ঋণ গ্রহীতা
জি.এম.সুমন
প্রকাশ: ০৮ মে ২০২১, ০৬:০১ পিএম
করোনা ভাইরাসের কারনে জনজীবন যখন বির্পযস্ত ঠিক তখনই সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে বন্দরে বিভিন্ন এনজিওকর্মীরা লকডাউনের মধ্যেও কিস্তি আদায়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের ঋণ গ্রহীতাগণ। ঋণের কিস্তি দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
এ ছাড়াও অনেক ঋণ গ্রহীতা বিভিন্ন এনজিও থেকে সাপ্তাহিক কিস্তিতে ঋণ নিয়ে কেউ ইজিবাইক, থ্রি-হুইলার, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন ক্রয় করে নিজে চালিয়ে তা থেকে আয় করে জীবিকা নির্বাহ করে একই সাথে ঋণের কিস্তি দেয়। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে মৃত্যু ও আক্রান্তের হার বাড়তে থাকায় সরকার দেশজুড়ে কঠোর লকডাউন ঘোষণা দেন।
ফলে সরকারি ও বেসরকারি আফিস আদালত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যার কারণে রুজি রোজগার বন্ধ হয়ে যায় অনেক মানুষের। এমন পরিস্থিতিতে এনজিওর ঋণের কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের ঋণ গ্রহীতারা। অধিকাংশ এনজিও নারীদের সমিতির মাধ্যমে ঋণ দিয়ে থাকে। এমন সময়ে এ সকল ভূক্তভোগী খেটেখাওয়া ঋণ গ্রহীতা যখন তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খায় তখন এনজিও কর্মীরা বাড়ি বাড়ি কিস্তি আদায়ের জন্য ধরনা দিচ্ছেন এবং চাপ সৃষ্টি করে ঋণ গ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তির টাকা আদায় করছে।
ঘারমোড়া এলাকার খাইরুল পাশা নামের এক ব্যাক্তি গণ মাধ্যমকে জানান, আশা সমিতি থেকে ২০ হাজার টাকা সাপ্তাহিক ঋণ নিয়ে ব্যবসার কাজে লাগানো হয়। লকডাউনের কারণে ব্যবসা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। যার কারণে সংসার চালিয়ে কিস্তি দিতে বেশ হিমশিম খাচ্ছি। লকডাউন চলাকালে কিস্তি বন্ধ না করলে আমাদেরকে না খেয়ে মরতে হবে। এ অবস্থা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক ও বন্দর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছে ভূক্তভোগী ঋণ গ্রহীতাগণ।


