পুলিশ বক্সের সামনে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় মামলা
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২১, ০৮:২৬ পিএম
সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে বোমা উদ্ধার ও ধ্বংসের ঘটনায় একটি মামলা রুজু হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মশিউর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার (১৮ মে) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফয়সাল বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ও জঙ্গীগোষ্ঠির বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করেন। যার মামলা নং-২৮।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বলেন, পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নাশকতা সৃষ্টি করতে পারলে আলোচিত হবে সেই পরিকল্পনা থেকে দুষ্কৃতকারী বা জঙ্গিগোষ্ঠী বোমাটি সেখানে রেখে থাকতে পারে। ওই দুষ্কৃতকারী বা জঙ্গিগোষ্ঠীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে সেখানে শক্তিশালী বোমাটি রেখেছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
মামলা সূত্রমতে, বাংলাদেশের অখন্ডতা, সংহতি, জন নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিন্যাস, জনসাধারণের মধ্যে আতংক সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী ও সম্পত্তির ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি/ব্যক্তিরা ও জঙ্গীগোষ্ঠি এ বোমা ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে রাখে।
উল্লেখ্য, সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় সোমবার (১৭ মে) বিকেল চারটার দিকে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে ব্যাগের ভেতর বোমাটি দেখতে পান ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট আসিফ হোসেন। পরে তিনি বিষয়টি জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান। খবর পেয়ে র্যাব ও পুলিশের সদস্যরা সাইনবোর্ডের ট্রাফিক পুলিশ বক্স ঘেরাও করে রাখে। জনসাধারণকে ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলাচলের নির্দেশ দেন। খবর দেওয়া হয় ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে।
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে পরীক্ষা করে তারা বস্তুটিকে বোমা বলে নিশ্চিত করেন। সন্ধ্যা সাতটার দিকে বোমাটি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বোমাটি বিস্ফোরণের সময় ৩০ মিটারের ভেতরে কোনো স্থাপনা বা মানুষ থাকলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটতে পারত।


