জলাবদ্ধতা নিয়ে চরম বিপাকে ফতুল্লার চেয়ারম্যান স্বপন
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ২৩ মে ২০২১, ০৮:০৬ পিএম
ডিএনডির ইসদাইর সহ আসপাশের এলাকা গুলি হলো ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপন চেয়ারম্যানের এলাকা। তিনি ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। আর তার এলাকায় বছরের পর বছর ধরে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা হচ্ছে। কিন্তু চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান স্বপন তার এলাকার জনগনকে এই জলাবদ্ধতা থেকে মোটেও বাঁচাতে পারছেন না।
জানা গেছে ফতুল্লা ইউনিয়নের লালপুর, পৌষা পুকুর পাড়, রেল লাইন বটতলা, বৃহত্তর ইসদাইর, টাগারের পাড়, আফাজ নগর এবং উত্তর মাসদাইর গাবতলী সহ গোটা এলাকা সামান্য বৃষ্টি এলেই ডুবে যায়। অথচ সরকার ডিএনডির জলাবদ্ধতা নিরসনে দুই দফায় প্রায় তোরো শ কোটি টাকা দিয়েছে। এই টাকা দিয়ে কি হচ্ছে সেটা জানেন না এই ফতুল্লা অঞ্চলের মানুষ। তারা কেবল জানেন তাদের এই এলাকায় এক টাকার কাজও করেনি কেউ।
ফলে পরিস্থিতি এতোটাই খারাপ আকার ধারন করেছে যে এসব এলাকা এখন আর মানুষের বসবাসের উপযোগী এলাকা নয়। তাই দূর্ভোগ কবলিত এলাকাবাসী বার বার স্বপন চেয়ারম্যানের কাছে ধর্না দিচ্ছেন। কিন্তু তিনি মানুষকে কোনো সমাধান দিতে পারছেন না। তাই তিনি এখন বড় ধরনের বিপাকে পরেছেন বলে জানা গেছে। এদিকে জানা গেছে বছরের পর বছর জলাবদ্ধতার কারনে চরম দূর্ভোগের মাঝে পতিত হয়েছেন বৃহত্তর ইসদাইরের মানুষ। ফলে তারা জলাবদ্ধতা নিরস আন্দোলন কমিটি নামক একটি কমিটি গঠন করেছেন। এরই মাঝে এই কমিটি স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। শামীম ওসমান সমস্যা সমাধানের জন্য আওয়ামী লীগ নেতা শাহ নিজামকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
এছাড়া আন্দোলন কমিটির সভাপতি করা হয়েছে ফতুল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মিছির আলীকে। আর সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে এলাকার বিশিষ্ট মুরুব্বী হাসেম মাস্টারকে। তাদের সঙ্গে এলাকার সকল গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সদস্য হিসাবে রয়েছেন। এছাড়া বছরের পর বছর জলাবদ্ধতার কারনে ফুঁসে উঠেছে গোটা এলাকার মানুষ। এমপি শামীম ওসমান কি করেন সেদিকে তাকিয়ে আছেন সবাই। সামনে বর্ষা। তাই এরই মাঝে কাজ না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার স্বিদ্ধান্ত নিয়েছেন এলাকাবাসী। তাই এখন শাহ নিজাম কি করেন সেটাই দেখার বিষয়। তবে এ বিষয়ে স্বপন চেয়ারম্যানের আরো তৎপরতা দেখতে চায় এলাকার মানুষ।


