ফতুল্লা থানার ফতুল্লা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নেতার কোনো অভাব নেই। এই থানার অন্তত ছয়জন বড় নেতা বাস করেন ফতুল্লা ইউনিয়নে। আর এ কারণেই এখানে কোনো উন্নয়ন কাজ হয়নি বলে মনে করেন এই নেতারা নিজেরাই। ডুবে আছে গোটা ফতুল্লা ইউনিয়নের বিশাল এলাকা।
জানা গেছে, ফতুল্লা ইউনিয়নে বাস করেন ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শওকত আলী, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ লিটন, ফতুল্লা থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফাইজুল ইসলাম, থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোহাম্মদ শরীফুল হক। এই নেতারা সবাই ফতুল্লা ইউনিয়নের লালপুর এবং আশপাশের এলাকার বাসিন্দা। আর চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান স্বপনতো রয়েছেনই।
তিনি নিজেও থানা আওয়ামী লীগের বড় নেতা। অথচ এতো নেতা থাকার পরেও ফতুল্লার লালপুর থেকে ইসদাইর পর্যন্ত বিরাট এলাকায় তেমন কোনো উন্নয়ন কাজ হয়নি। প্রতি বছরই অত্র এলাকা পানির নিচে ডুবে থাকে। পূরো এলাকাটি একটি অবহেলিত এলাকা হিসাবে সম্প্রতি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। আরো উল্লেখ্য হলো এই নেতারা সকলেই সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের অতি ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত। তারা সকলেই শামীম ওসমানের আশির্বাদে এখন বহু টাকার মালিক এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসিন। তাই এসব নেতার এলাকা কেনো এভাবে পানির নিচে ডুবে থাকবে এই প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে এলাকাবাসী জানিয়েছেন এলাকার চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান স্বপন। কিন্তু এতো নেতার ভিরে তার কোনো দাম নেই। তিনি মেম্বার থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়েছেন। তাই তাকে এই বড় নেতারা কেউ পাত্তা দেন না। অথচ এলাকায় তার একটি চেইন অব কমান্ড থাকা খুবই জরুরী। আর এ কারনেই এলাকায় তেমন কোনো কাজ হচ্ছে না। ফলে এলাকাবাসী বলছেন ফতুল্লা ইউনিয়নে নেতা বেশি, কিন্তু কাজ কম।


