বন্দরে রাজাকার পুত্র মাকসুদের স্বেচ্ছাচারিতায় জোসনার মানবেতর জীবন
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২১, ০৯:৪০ পিএম
বন্দরে মুছাপুর এলাকার রাজাকার রফিকের পুত্র ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাকসুদের চরম সেচ্ছাচারিতা ও উদাসিনতার কারনে একই ইউনিয়নের নিরিহ গ্রাম পুলিশ জোসনা বেগম দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বেতন ভাতা না নায়ে চরম মানবেতর জীবন যাপন করা অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বিকেলে বন্দর প্রেসক্লাবের গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে এ কথা জানিয়েছে ভ’ক্তভোগী গ্রাম পুলিশ জোসনা বেগম।
তিনি গনমাধ্যমকে আরো জানান, গত ইউনিয়ন পরিষনের নির্বাচনে মাকসুদ চেয়ারম্যান আমাকে তার পক্ষে মাঠে কাজ করার কথা বলে। আমি তার কথায় রাজি না হওয়ায় তিনি গত নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে আমার বেতন ভাতা বন্ধ করে দেয়। ৫টি বছর ধরে বেতন ভাতা না পেয়ে আমি ও আমার পরিবার চরম মানবেতর জীবন যাপন করছি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো জানান, গত ১৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার নারাযণগঞ্জ জেলা পরিষদের অর্থায়নে বন্দর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের কর্মরত গ্রাম পুলিশদের মাঝে সাইকেল ও পোষাক বিতরণ করে।
সেদিন আমি উপস্থিত থাকলেও রাজাকারের পুত্র মাকসুদ চেয়ারম্যানের চরম সেচ্ছাচারিতার কারনে উপজেলা পরিষদের কর্মরত ফাহিম নামে এক ব্যাক্তি সরকারি সাইকেল ও পোষাক থেকে আমাকে বঞ্চিত করেছে। এর প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন সময়ে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক বার লিখিত অভিযোগ করেও এ পর্যন্ত কোন সুফল আমি পায়নি। দিন যতই যাচ্ছে মুছাপুর ইউনিযনবাসীর নিরিহ মানুষদের প্রতি তার সীমাহীন অত্যাচার ও অবিচারের মাত্রা দিন দিন ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান মাকসুদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ অবস্থা থেকে রেহাই পাওয়াসহ ৫ বছরের বেতন ভাতা প্রদানের জন্য স্থানীয় এমপি ও জেলা প্রশাসকের জরুরী হন্তক্ষেপ কামনা করেছে ভূক্তভোগী গ্রাম পুলিশ জোসনা বেগম।


