Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

ভূলতা ফ্লাইওভারের নিচে মানুষের জটলা 

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২১, ০৮:৫৭ পিএম

ভূলতা ফ্লাইওভারের নিচে মানুষের জটলা 
Swapno

রূপগঞ্জে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে প্রথম দিনে প্রশাসন তৎপর থাকলেও দ্বিতীয় দিনে লকডাউন হয়ে গেছে ঢিলে-ঢালা। মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি থেকে বের হচ্ছে, পিঠা ও হালিমের দোকানসহ আড্ডা দিচ্ছে চায়ের দোকানে। নেই কোন প্রশাসনের আনাগোনা। অথচ লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশ।

 

তবে হাইওয়ে পুলিশের দেখা মিললেও তেমন তৎপর নেই। শুক্রবার (২জুলাই) বিকালে উপজেলার গোলাকান্দাইল চৌরাস্তায় ভূলতা ফ্লাইওভারের নিচে দেখা যায় এমন চিত্র। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একটানা বৃষ্টি ছিল। তাই প্রশাসনকে মাঠে দেখতে না পেয়ে ঘরবন্দী মানুষগুলো লকডাউনে বেড়িয়ে পড়েন। আর দোকানীরাও দোকান খুলে বসে বিক্রি করতে শুরু করেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার ভূলতা ফ্লাইওভারের নিচে দেদারছে ক্রয়-বিক্রয় চলছে। আম-কাঠাল,হালিম,পিঠা, চাসহ খাবার হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোতেও বসিয়ে খাবার বিক্রি চলছে। কাউকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। কারও কারও মুখে মাস্ক থাকলেও অনেকের মুখেই ছিল না।

 

এসময় কথা হয় হালিম বিক্রেতার সাথে তিনি জানান, আজ কোন প্রশাসনকে দেখছি না। তাই দোকান নিয়ে আসছি। যদি কিছু বেচা-কেনা করতে পারি তবে পরিবার নিয়ে ভালো ভাবে চলতে পারবো। চা দোকানী বলেন, পুলিশ আসার আগে যা বেচতে পারি তাই লাভ। ঘরে বসে থেকে কি করব? চায়ের দোকানে বসা এক ক্রেতা বলেন, গতকাল সারাদিন অনেক কষ্ট করে নিজেকে ঘরে আটকে রেখেছিলাম। আজ যখনই বন্ধুদের কাছ থেকে জানতে পারলাম রাস্তায় পুলিশ,র‌্যাব, বিজিবি কাউকে দেখা যাচ্ছে না। তাৎক্ষণিক বেড়িয়ে পড়লাম আড্ডা দিতে। ভাবলাম এই সুযোগ মিস করা যাবে না। চা খাওয়াও হলো আর আড্ডা দেয়াও হলো।

 

গোলাকান্দাইল চৌরাস্তায় আমের দোকানদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই লকডাউন তো থাকব ৭দিন, আমগুলো না বিক্রি করলে নষ্ট হয়ে যাবে। অনেক লোকসানও হবে। এজন্য আসছি পুলিশের তাড়া খেয়ে যা বেচতে পারি। গোলাকান্দাইল চৌরাস্তায় সারি সারি কাঁঠাল রেখে হাঁকডাকে বিক্রি করা এক কাঁঠাল বিক্রেতার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকেই দোকান খুলছে তাই কাঁঠালগুলো নিয়ে আসছি বিক্রি করতে। সবার যে গতি আমারও তাই হবে।  

 

কাঁঠাল কিনতে আসা গোলাকান্দাইল উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা রমজান আলী নামে এক ক্রেতা বলেন, সস্তায় কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে শুনে ঘরে থাকতে পারলাম না। আমাদের ঘরে সবাই কাঁঠাল অনেক পছন্দ করে। তাই চলে আসলাম। পুলিশ আসার আগে একটা নিয়ে যাব। উপজেলা প্রশাসনকে মুঠোফোনে বার বার কল করেও পাওয়া যায়নি।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন