রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইলে জলাবদ্ধতায় জনদূর্ভোগ লাঘবে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) এর নির্দেশনায় গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনজুর হোসেন ভূঁইয়ার প্রচেষ্টায় বেরিবাঁধের ভিতরের পানি ড্রেজারের মাধ্যমে নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।
গত শুক্রবার বিকাল থেকেই তারাবো পৌর আওয়ামীলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান হাবিবের সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে এ নিষ্কাশনের কাজ করা হচ্ছে। উক্ত ড্রেজারের মাধ্যমে গোলাকান্দাইল বেরিবাঁধের ভিতরে পানিবন্দী ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডসহ তারাবো পৌরসভার পানিও নিষ্কাশন করা হবে বলে জানান ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার নাসির উদ্দিন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১০ থেকে ১৫ বছর আগে এই গোলাকান্দাইল এলাকাটি বন্যার পানিতেও তেমন প্লাবিত হতো না। কারণ তখন এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জন্য ছিল পুকুর,জলাশয়,নালা,খাল-বিল ইত্যাদি। বর্তমানে দেশ উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জমির চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে পুকুর, জলাশয়,নালা,খাল-বিল ভরাট করে ওইসব জমিতে কল-কারখানা, বাড়ি-ঘর নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। আর ওইসব জমি ভরাট হয়ে যাওয়ায় কালভার্ট,ব্রিজের মুখ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথ না পেয়ে রাস্তা-ঘাট,হাট-বাজারসহ মানুষের বসতঘরও প্লাবিত হচ্ছে। এতে জনদূর্ভোগসহ অনেক কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে। এ যেন দেখার কেউ নেই।
পানিবন্দী গোলাকান্দাইল ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রহিম জানান, এতো দিন ঘরেও পানি ছিল। মেম্বার-চেয়ারম্যানরা পানি নিষ্কাশনের একটা ব্যবস্থা করায় অনেকটাই স্বস্তি পেলাম। ভাই লকডাউন থাকায় পুলিশের ভয়ে বাইরেও বের হতে পারি না। এদিকে ঘরের ভিতরেও পানি। খুব মুশকিলে ছিলাম। এখন পানি ঘর থেকে সরে গেছে। উঠানে কিছুটা আছে। তবে আশা করি এইভাবে পানি নিষ্কাশন করলে কয়েকদিনের মধ্যেই সরে যাবে।
এ বিষয়ে গোলাকান্দাইল ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার নাসির উদ্দিন জানান, গোলাকান্দাইলের পানিবন্দী মানুষকে এই দূর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে ড্রেজারের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। পানি নিষ্কাশন করাকালে উপস্থিত ছিলেন, গোলাকান্দাইল ৫নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন, ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ইসরাফিল, খোকন মিয়া, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সচিব শামসুদ্দিন মীর প্রমূখ।


