Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

পাড়া-মহল্লা সর্বত্রই মানুষের স্রোত, নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই

Icon

সাদ্দাম হোসেন শুভ

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২১, ০৯:২৪ পিএম

পাড়া-মহল্লা সর্বত্রই মানুষের স্রোত, নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই
Swapno

ফতুল্লার কুতুবপুরে কেউ মানছে না লকডাউন। দিনে কি রাতে জমজমাট পাড়া-মহল্লার আড্ডা। এতে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ক্রমেই করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে এলাকাবাসী। পুরো জেলাকে লকডাউন করা হলেও তা মানতে চাচ্ছে না সাধারণ জনগণ। দিনের বেলার রাস্তা দেখে মনে হয় না লকডাউন চলছে। করোনার এ দ্বিতীয় ঢেউয়ে লকডাউনের কারণে শহরের বিপণিবিতানগুলো বন্ধ থাকলেও অন্যান্য সকল দোকানপাট হাট বাজার খুলতে শুরু করেছে।

 

ফলে আগের মতো জৌলুস না থাকলেও বেলা গড়াবার সাথে সাথেই জমজমাট হয়ে উঠে কুতুবপুরের বিভিন্ন এলাকা। প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে মানুষ অবাধে রাস্তায় বিচরণ করছে। প্রশাসনের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রয়োজন থাকুক বা না থাকুন, মানুষ ঘর থেকে বেড় হচ্ছে রাস্তায়। চলছে রিকশা, অটো, সিএনজি, ছোট ছোট মাইক্রো ও মিনি ট্রাক। এদেরকে আটকিয়ে রাখা যাচ্ছে না। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মোবাইল কোর্টে জরিমানা, পুলিশের জনসচেতনতায় মাইকিং কিংবা সেনাবাহিনীর টহল উপস্থিতিও দমাতে পারছে না তাদের।

 

দলবেঁধে মানুষ বাজার করছে, কেনাকাটা করছে, রাস্তায় চলাফেরা করছেই। পাড়ায় মহল্লায় চলে জম্পেস আড্ডা। মনে হচ্ছে সবচেয়ে নিরাপদ আড্ডা দেয়ার সময়ই এই লকডাউনের সময়। কেউ শুনছে না কারো কথা। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আলীগঞ্জ থেকে রেললাইন দিয়ে পাগলা রেলস্টেশনের পথিমধ্যে হাজার হাজার মানুষের ঢল। এখানকার দোকানপাট গুলো রয়েছে খোলা। তাদের দেখে মনে হবে এখানে যেনো করোনার বালাই নেই। একই চিত্র নন্দলালপুর, নয়ামাটি, চিতাশাল, দেলপাড়া, শাহীবাজার, বৌ-বাজার, ভুইগড়সহ কুতুবপুরের বিভিন্ন এলাকা।

 

এইসব এলাকায় দেখলে মনে হবে ঈদের আমেজ চলছে। বিকাল হলেই রাস্তায় মানুষ আর মানুষ। নয়ামাটি এলাকার স্থানীয় আব্বাস বিন ইজ্জত আলী বলেন, এইসব এলাকার জনপ্রতিনিধিরা মানুষকে সচেতন করতে নেই তাদের কোনো উদ্যোগ। তাদের সাধারণ মানুষকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে নেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা। এলাকায় হরহামেশাই চলছে হোটেল ও বিভিন্ন দোকানপাট। তাদের বিরুদ্ধেও নেই কোনো ব্যবস্থা। লকডাউনে এভাবে চলতে থাকলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কেউ রক্ষা পাবে না বলেও তিনি জানান।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন