Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যায় কচুরিপানায় ভোগান্তি

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২১, ১০:৪৬ পিএম

রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যায় কচুরিপানায় ভোগান্তি
Swapno

রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে কচুরিরপানার বিস্তার বেড়ে যাওয়ায় নৌকার মাঝি ও যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। জানা যায়, শীতলক্ষ্যা নদীর সাথে বহু খালের সংযোগ রয়েছে। বর্ষাকালে জোয়ারের পানিতে সংযোগ খালে জমে থাকা কচুরিপানাগুলো ভাটির টানে নদীতে প্রবেশ করতে থাকে। আবার বিভিন্ন খাল,বিল,ডোবা,নালা হতে খাল সংলগ্ন এলাকাবাসী এই খালের কচুরিরপানাগুলো ঠেলে-ঠেলে নদীতে ভাসিয়ে  দেয়।

 

এতে নদীতে চলাচলরত নৌকা জমাট থাকা কচুরির পানায় বাঁধাগ্রস্ত হয়। এমনকি এই জমাট কচুরি পানায় অকেজো হয়ে যাচ্ছে শীতলক্ষ্যা নদীর দুই পাড়েরর মানুষ পারাপার হওয়ার ঘাটগুলো। ফলে বিপাকে পড়ছেন নৌকার মাঝিসহ যাত্রীরা। সরেজমিনে হাটাবো বাজার গুদারা ঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, কচুরির পানা ঠেলে অনেক কষ্টে খেয়াঘাটে এসে পৌঁছাতে হচ্ছে নৌকাগুলোকে। আগে যেখানে মাত্র ৫ থেকে ৭ মিনিটে যাওয়া যেত, এখন কচুরি পানা ঠেলে যেতে সময় লাগছে অন্তত ১৫ মিনিট। নদীতে এই কচুরি পানার থাকায় বড় বড় তেলের জাহাজ, বালুবাহী ট্রলারকেও ধীর গতিতে যেতে দেখা যায়।

 

এসময় কথা হয় হাটাবো বাজার গুদারা ঘাটের মাঝি সুনীল, কানাই,স্বপনসহ আরো কয়েকজনের সাথে। তারা জানান, গত কয়েক বছর ধরে শুরু হয়েছে নদীতে কচুরির পানার রাজত্ব। শীতলক্ষ্যা নদীতে কচুরির পানার এমন বিস্তার আগে কেউ দেখেনি। বর্তমানে কচুরিপানায় যেন জিম্মি করে রেখেছে এই শীতলক্ষ্যা নদীটিকে। এই কচুরি পানাগুলো নৌকা চলাতে যেমন বাঁধা দেয় তেমন ট্রলারকে বাঁধা দিয়ে থাকে। এগুলো সময় সময় ট্রলারের পাখায় আটকে যায়, এই আটকে যাওয়ার কারণে নদীর মাঝপথে ট্রলারের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়।

 

তারা আরো জানান, আগে একজন মাঝির দৈনিক আয় হতো তিন‘শ থেকে চার‘শ টাকা। এখন কচুরিপানা ঠেলে আগের মতো আর তেমন আয় হয় না। সারাদিনে চার-পাঁচটা টিপ মারলেই জান শেষ হয়ে যায়, তারপর নৌকা বন্ধ করে বাড়ি চলে যাই আর আসি না ঘাটের সামনে। নাজমুল নামে একজন নৌকা যাত্রী বলেন, কচুরি পানা কারণে মাঝিদের নৌকা চালাতে অনেক কষ্ট হয়। আমি প্রায় প্রতিদিনই নৌকা দিয়ে যাতায়াত করি। অনেক সময় দেখি মাঝিরা অনেকবার চেষ্টা করেও তার নৌকাটিকে ঘাটে ভিড়াতে না পারলে যাত্রীরা নৌকা ঠেলে সাহায্য করেন। এই মাঝিদের জন্য আমারও অনেক কষ্ট হয়। তাই আমিও মাঝে মাঝে নৌকা ঘাটে ভিড়াতে তাদেরকে সাহায্য করি।  
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন