Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

এই ব্যর্থতার দায় কার?

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২১, ১০:০৮ পিএম

এই ব্যর্থতার দায় কার?
Swapno

# জলাবদ্ধতায় শওকতই থাকতে পারলেন না নিজের বাড়িতে


জলাবদ্ধতার কারণে ফতুল্লার লালপুরের বাড়ি ছেড়েছেন থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী। ফতুল্লার রাজনীতিতে শওকত আলীর অবস্থান সাইফ উল্লাহ বাদলের পরেই। তিনি সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের বড় ভাই হিসাবে পরিচিত। অথচ এই শওকত আলীই শেষ পর্যন্ত তার নিজের বাড়িতে থাকতে পারলেন না। তার বাড়িতে যেতে হলে অন্তত আধা কিলোমিটার এলাকা পানি মাড়িয়ে যেতে হয়। তাও আবার হাঁটু পানির উপরে। কেবল বর্ষা কালে নয়, বরং শীত কালেও ডুবে থাকে লালপুরের ওই রাস্তা।

 

তাই বাধ্য হয়ে শওকত চেয়ারম্যান নিজের বাসা ছেড়ে অন্যত্র ভাড়ায় চলে গেছেন। তার বাড়িটি চার তলা এবং বিশেষভাবে নির্মাণ করেছেন তিনি এই বাড়ি। তাই বছরের পর বছর ধরে ফতুল্লার লালপুর সহ আশপাশের এলাকায় কি পরিমাণ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে সেটা সহজেই অনুমান করা যায়। তাই প্রশ্ন উঠেছে শামীম ওসমান যেখানে তার নিজের দলের প্রভাবশালী নেতার এলাকাকেই জলাবদ্ধতা মুক্ত রাখতে পারেননি, সেখানের তিনি অন্য এলাকার জন্য কি কাজ করবেন।

 

এছাড়া শুধু শওকত আলী নয়, ওই লালপুরে বাস করেন মীর সোহেল, শরীফুল হক এবং স্বপন চেয়ারম্যানও। তাদের সকলের বাড়িতেই পানি। তবে তারা বাড়ি না ছেড়ে মাটি কামড়ে পরে আছেন। তাই এখন  আড়ালে আবডালে তারাও শামীম ওসমানের সমালোচনা করছেন। যদিও তারা শামীম ওসমানের শেল্টারে রেখে বহু টাকার মালিক হয়েছেন এবং হয়তোবা লালপুরের বাহিরে আরো বাড়িও নির্মাণ করেছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো যে বাড়িতে থেকে তারা বহু বছর রাজনীতি করেছেন এবং যে বাড়িতে তাদের অনেক স্মৃতি সেই বাড়ি তাদেরকে ছাড়তে হচ্ছে। এর চেয়ে দুঃখের আর কিছু হতে পারে না। তাই এখন তারা নিজেরাই স্বীকার করেন, শামীম ওসমানের আসলে উন্নয়নের কোনো দূরদৃষ্টি নেই।

 

কারণ গত কয়েক বছর ধরে জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত হচ্ছে ফতুল্লার লালপুর, পৌষাপুকুর পাড়, ইসদাইর, গাবতলী, টাগারেরপাড়সহ বিশাল এলাকা। মানুষ চরম দুর্ভোগের মাঝে জীবনযাপন করছেন। কিন্তু শামীম ওসমান কোনো খবরই রাখেননি। এক কথায় ফতুল্লার উন্নয়নের দায়িত্ব শামীম ওসমানের হাতে হলেও জনগনের জন্য তার মাঝে কোনো দায়িত্ববোধ ছিলোনা। ফলে যা হবার তাই হয়েছে, এলাকাবাসীতো বটেই বরং খোদ শামীম ওসমানে অতি ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পরিচিত শওকত আলী চেয়ারম্যানও তার বহুতল ভবনটি চেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন