এমপি ফতুল্লার নন তাই আমাদের এতো দুর্ভোগ : পলাশ
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২১, ০৮:৫১ পিএম
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিগত পঞ্চাশ বছরে ফতুল্লার মানুষ কোনো এমপি পান নাই। তখন থেকে যারাই এমপি মন্ত্রী হয়েছেন তারা সকলেই বহিরাগত। সেই আফজাল আর ছাত্তার থেকে শুরু করে বর্তমান শামীম ওসমান পর্যন্ত কেউই ফতুল্লার সন্তান নন। তারা কেউই ফতুল্লায় বাস করেননি। তাই ফতুল্লাবাসীর জন্য তাদের তেমন কোনো দরদও ছিলো না এবং নেই।
গতকাল দৈনিক যুগের চিন্তাকে এসব কথা বলেন ফতুল্লার সন্তান ও বাংলাদেশ শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহম্মেদ পলাশ। তিনি আরো বলেন, বর্ষা শুরু হওয়ার আগে থেকেই সেই বৈশাখ মাস থেকে ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকা ডুবে আছে। কিন্তু স্থানীয় এমপি এখন পর্যন্ত কার্যকর তেমন কিছু করেন নাই। তিনি বসে আছেন সরকারে আশায়। তিনি যদি আন্তরিক হতেন তাহলে আরো অনেক আগেই তিনি ব্যাক্তিগত উদ্যেগে পানি নিষ্কাশনের ক্যানেলগুলি পরিষ্কার করে দিতে পারতেন। পারতেন কিছু অস্থায়ী পাম্প বসাতে। কিন্তু তিনি তা করেননি।
এখন বলছেন আগামী বর্ষায় যাতে পানি না জমে সেই ব্যাবস্থা করবেন তিনি। অথচ এখনো আষাঢ় মাস শেষ হয়নি। সামনে শ্রাবণ মাস। আরো অন্তত দুই মাস ব্যাপক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এখনই পানি নামার নালাগুলি পরিস্কার করে দিতে হবে। প্রয়োজনে বেশ কিছু অস্থায়ী পাম্প বসাতে হবে। তিনি আরো বলেন আপনারা এসে দেখুন আমি আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে আলীগঞ্জের আশপাশের পানি নামাতে দুটি পাম্প সারা বছর চালিয়ে রাখছি। এমপি যদি আন্তরিক হতেন তাহলে এই ধরণের ব্যবস্থা গ্রহন করা তার জন্য তেমন কোনো বিষয় ছিলো না।
এ বিষয়ে কাউসার আহম্মেদ পলাশ আরো বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য যে স্বধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমরা ফতুল্লার মাটির সন্তান এমন কোনো এমপি পাইনি। কেউই ফতুল্লায় বাস করেনি। তাই ফতুল্লার মানুষের কষ্ট তাদেরকে স্পর্শ করে না। তার নিজের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা জানেন আমি সব সময় মানুষের পাশেই রয়েছি। কিন্তু আমারতো কোনো প্রশাসনিক পাওয়ার নেই। আর প্রশাসনিক পাওয়ার না থাকলে কতোটুকুই বা করা যায়।
তবে আমি আমার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের সুখে দু:খে তাদের পাশেই থাকবো ইনশাল্লাহ। আর কোনো দিন যদি প্রশাসনিক ভাবে কিছু করার সুযোগ পাই তাহলে অন্তত ফতুল্লাবাসীর জন্য স্থায়ীভাবে কিছু করে যাবার চেষ্ঠা করবো। আর এখনো আমি চুপ করে বসে থাকবো না। অবিলম্বে জলাবদ্ধতার এই দুর্ভোগ লাগব করা না হলে প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।


