Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

আলীগঞ্জ মাঠে কোনো হাট নয়; অনড় অবস্থানে এলাকাবাসী

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২১, ১০:৪২ পিএম

আলীগঞ্জ মাঠে কোনো হাট নয়; অনড় অবস্থানে এলাকাবাসী
Swapno

এবারও আলীগঞ্জ মাঠে কোনো হাট বসাতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। কারন এই মাঠে হাট বসানো হলে মাঠটির চলামান উন্নয়ন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। সরকার আলীগঞ্জ খেলার মাঠটির উন্নয়ন করে চলেছে। এছাড়া সরকার আরো আগেই সারা দেশে খেলার মাঠ এবং স্কুলের মাঠে হাট বসানো নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে।

 

তাই সরকারে এই বিধি ভঙ্গ করতে দেয়া হবে না বলেও জানিয়েছে স্থানীয়রা। এ ব্যাপারে এরই মাঝে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত আবেদন করা হয়েছে। এদিকে এলাকাবাসীর বাধা উপেক্ষা করে এবারও আলীগঞ্জ খেলার মাঠে কোরবানীর পশুর হাট বসানোর প্রচেষ্ঠায় লিপ্ত রয়েছে একটি অপরাধী চক্র। ওই চক্রটি প্রতি বছরই কোরবানীর ঈদ এলে এই মাঠে হাট বসানোর জন্য উঠেপরে লেগে যায়। অভিযোগ রয়েছে সদর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা মনির রয়েছেন এই চক্রের নেতৃত্বে। এবারও তিনি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে বহুল আলোচিত আলীগঞ্জ খেলার মাঠে হাঠ বসানোর জন্য প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে ফাতেমা মনির এলাকাবাসীর উন্নয়নে কোনো ভূমিকাই রাখছেন না। এবার যে ফতুল্লা এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা হচ্ছে সেখানেও এই ফাতেমা মনির ভূক্তভোগী মানুষের পাশে গিয়ে দাড়াননি। অথচ কুরবানীর ঈদ ঘনিয়ে আসায় তিনি এখন হাট বসানোর জন্য উঠে পরে লেগেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও এখানে হাটের ইজারা দিতে আগ্রহী বলে জানা গেছে। যদিও এখন আলীগঞ্জ খেলার মাঠে উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এমতাবস্থায় আলীগঞ্জ হাই স্কুল ও আলীগঞ্জ ক্লাবের সভাপতি এবং শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহম্মেদ পলাশ এই মাঠে যাতে পশুর হাট বসানো না হয় তার জন্য নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসকের নিকট একটি লিখিত আবেদন করেছেন।

 

গতকাল লিখিত আবেদনে তিনি এই মাঠে কোনো পশুর হাট বসানোর ব্যাপারে যে আইনগত বাধা রয়েছে সেটাও তুলে ধরেছেন। পলাশ তার লিখিত আবেদনে উল্লেখ করেছেন সরকার সারা দেশেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ এবং খেলার মাঠে পশুর হাট বসানোর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। অথচ তার পরেও কিছু প্রভাবশালী রাজনীতিবিদের ছাত্রচ্ছায়ায় সন্ত্রাসীরা জোর করে এই খেলার মাঠটিতে হাজার হাজার পশু ঢুকানোর চেষ্ঠা করছে। তাই তিনি এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। কাউসার আহম্মেদ পলাশ তার লিখিত আবেদনে আরো উল্লেখ করেছেন আলীগঞ্জ খেলার মাঠের পাশ্ববর্তী ফিশারি ঘাট, হাফেজ মোক্তার ঘাট এবং পাশর্^বর্তী মেরী এন্ডারসন ঘাটে পশুর হাট ইজারা নেয়ার নামে আলীগঞ্জ মাঠে পশু ঢুকানোর চেষ্ঠা চলছে। এটা করা হলে এই মাঠের চলমান উন্নয়ন কাজ মারাত্বকভাবে ব্যাহত হবে বলে তিনি মনে করেন। তাই জেলা প্রশাসক এখন কি করেন সেটাই হলো দেখার বিষয়।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন