Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

গোগনগর আওয়ামীলীগ দ্বি-খন্ডিত

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২১, ০৭:৩৬ পিএম

গোগনগর আওয়ামীলীগ দ্বি-খন্ডিত
Swapno

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে দিখন্ডিত করতে একটি চক্র নয়া মিশন নিয়ে নেমেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত কয়েক দিন ১৫ আগষ্ট শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা নিয়ে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

 

গত শনিবার গোগনগর ইউনিয়নে ১৫ আগষ্ট শোক দিবসকে কেন্দ্র করে ২ টি সভা অনুষ্ঠিত হয়। একটি গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ব্যানারে অপরটি সদর থানার বেনারে পৃথক স্থানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন গোগনগর ইউপি আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজ মাষ্টার। ওই সভায় বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহন করে।

 

অপর দিকে একই দিনে সদর থানা আওয়ামীলীগের ব্যানারে গোগনগরের মসিনাবন্দ সমাজ কল্যান সংসদে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ইউনিয়নের আরেকটি অংশের নেতা কর্মীরা উপস্থিত হন। তারা চেয়ারম্যান প্রার্থী ফজর আলী সমর্থনকারী লোক বলে জানান তৃনমূল পর্যায়ের কয়েকজন নেতা কর্মী। একই সাথে থানার সভায় আলীরটেক ও গোগনগর ইউনিয়নের সিনিয়র নেতারা খবর পান নাই বলে জানান। সেই সাথে ওই সভায় আলীরটেক থেকে কোন নেতা উপস্থিত ছিলেন না।

 

এদিকে ঐ সভা নিয়ে গোগনগর ইউপি আওয়ামীলীগে বিভক্তি দেখা দেয়। যা তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। এক পক্ষ আরেক পক্ষ সমালোচনা করে সভায় বক্তব্য রাখেন। সদর থানার বেনারে গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজ মাষ্টার ও সাধারণ সম্পাদক এবি এম আজহারুল ইসলাকে নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ফজর আলী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন,  গোগনগরে ৩জন (জসিম, আজহার, আজিজ) মিলেই আওয়ামী লীগ কমিটি করে। তারা ৩ জন মিলে যাতে কমিটি করতে না পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। এর জন্য আমাদের বসতে হবে।

 

অন্যদিকে গোগনগর ইউনিয়নের আলোচনা সভায় বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ বক্তব্যে বলেন, হাইব্রিড আওয়ামীলীগাররা দলীয় ঐক্য নষ্ট করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাঁদের প্রতিহত করতে হবে। হাইব্রিড আওয়ামীলীগাররা বিএনপি জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে দলে অনুপ্রবেশ করেছে। তাঁরা দলীয় ঐক্য নষ্ট করতে বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে। আওয়ামীলীগ কারো টাকায় চলে না। কেউ যদি মনে করে দুই একজন নেতাকে টাকার বিনিময়ে কিনে নিয়ে সে বড় নেতা হয়ে যাবে তাহলে তিনি ভূলে মাঝে আছে। আওয়ামীলীগের গঠনতন্ত্র আছে। তার বাইরে কেউ যেতে পারবে না। অতিশিগ্রই তাদের নোংরা খেলা বন্ধ হয়ে যাবে।

 

তৃনমূল নেতা কর্মীদের মতে এই ইউনিয়নের নেতাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা ও সাংগঠনিক দূরত্ব হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে দলের ভেতর ও বাইরের কিছু নাধারী নেতা বনে যাওয়া ব্যক্তি। যার প্রভাব ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ওপর। এই পরিস্থিথির জন্য গোগনগর ইউনিয়নের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীকে দায়ী করছেন। তাদের সাথে রয়েছে সদর থানার আওয়ামীলীগের সভাপতি নাজির মাদবর এবং সেক্রেটারি আল মামুন।

 


গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের তৃনমূল থেকে শুরু করে ইউনিয়নের ত্যাগি নেতা কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছি। আমাদের এই ঐক্য নষ্ট করতে নামধারী কিছু হাইব্রিড নেতা টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে। তারা দলে মাঝে কোন্দল সৃষ্টি করতে চায়। এদের থানার সেক্রটারি আল মামুন সহ কয়েকজন নেতা শেল্টার দেয়। আল মামুন দলের জন্য ডাষ্টবিন। তাকে প্রতিহত করতে হবে।


এবিষয়ে সদর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাজির মাদরের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেন নাই। সেক্রেটারি আল মামুনের নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন