সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের ডিক্রিচর ঘাট পারাপারে যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে ঘাটে বসে ভাড়া উঠানো ব্যক্তিদের ট্রলার মাঝিদের বিরুদ্ধে মানুষের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও যাত্রীদেরকে বিভিন্ন ভোগান্তির স্বীকার হতে হয় বলে জানা গেছে। ৩ টাকার ভাড়ার পরিবর্তে যাত্রীদের থেকে ৫ টাকা ভাড়া নেয়া হয় বলেও জানান স্থানীয় লোকজন।
ঘাট ইজারাদার সালেহ আহমেদ খোকন প্রভাবশালী হওয়ায় নিরীহ মানুষদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়া না নিয়ে তার ইচ্ছে মত এক প্রকার জোড় করে বেশি ভাড়া আদায় করে বলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ। ডিক্রিচর ঘাট পারাপারে যাত্রীরা জানান, ডিক্রিচর ঘাট দিয়ে ধলেশ্বরী নদী পার হয়ে জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত হয়। বেশিরভাগ দিনমজুর ও দরিদ্র লোকজন এই ঘাট দিয়ে কর্মস্থলে প্রতিদিন আসা যাওয়া করে থাকেন। এ দিক দিয়ে আলীরটেক, বক্তাবলী, ডিক্রিচর, কানাইনগর, রামনগর মুক্তারকান্দি সহ প্রায় ১৫ টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে। দেশের ক্রান্তিকালে ঘাট ভাড়া নেয়া বেশি নেয়ায় যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে।
শুক্রবার রাত ১০ টা বাজলেই মানুষের কাছ থেকে জোর করে ১০ টাকা করে ভাড়া আদায় করা হয়। হারুন অর রশিদ জানান, ডিক্রিচরের এই ঘাটে ৩ টাকা ভাড়া ছিল। পরে ঘাট ইজারাদার নিজের মনমত ভাড়া বাড়িয়ে ৫ টাকা করে। কিন্তু এখন যা নি¤œবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকদের পকেট কাটা হচ্ছে বলে মনে করেন সচেতন মহল। আরেক যাত্রী নুরুজ্জামান বলেন, এই ঘাট দিয়ে যাওয়ার সময় নৌকার মাঝিরা আমাদের সাথে খারাপ আচরন করে। অনেক সময় ইচ্ছা করে বসে থেকে আধা ঘন্টা পর নৌকা ছারে।
এতে করে মানুষের সময় যেমন নষ্ট হয় তেমনি ভাবে রোগীদেরকে ভোগান্তিতে পরতে হয়। অনেক রোগীকে নিয়ে দ্রুতনদী পারাপারে ভোগান্তিতে পরতে হয়। ডিক্রিচর ঘাট ইজারাদার সালেহ আহমেদ খোকনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে জানতে আলীরটেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যাস্ত বলে ফোন কল কেটে দেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফা জহুরা বলেন, আমি এবিষয়ে খোজ নিয়ে দেখছি। এরকম ঘটনা ঘটে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


