Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

আড়াইহাজারে ইট-সুড়কির বদলে বালি, কাঁদায় মাখামাখি যানবাহন

Icon

এম এ হাকিম ভূঁইয়া

প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২১, ০৭:৪৪ পিএম

আড়াইহাজারে ইট-সুড়কির বদলে বালি, কাঁদায় মাখামাখি যানবাহন
Swapno

আড়াইহাজারে ১১ কিলোমিটার সড়কের কিছু অংশের জনদুর্ভোগ লাঘবে গর্তে ইট-সুড়কির বদলে ফেলা হয়েছে বালি। এতে ভোগান্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিদিন তাতে বৃষ্টির পানি জমে কাঁদায় পথচারি ও গাড়ীর মাখামাখি হচ্ছে। ছোট বড় গর্তে বৃষ্টির পানি জমে রীতিমতো ডোবায় পরিণত হয়েছে।

 

গাড়ী উল্টো ঘটছে দুর্ঘটনা। আহত হচ্ছেন মানুষ। সড়কের এই অংশে ভোগান্তি হচ্ছেন প্রতিদিন উপজেলা দক্ষিণ এলাকার কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হজারের মতো মানুষের। উপজেলা সদরে প্রবেশের মুখে এমন অবস্থায় জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার দক্ষিণ এলাকার কয়েকটি ইউনিয়ন থেকে প্রতিদিন উপজেলা সদরে প্রায় ৫০ হাজারের মতো মানুষ এ রাস্তা দিয়ে যাতায়ত করছেন। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে গর্তে পানি জমে যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়ে পড়েছে। তবে দুর্ভোগ লাঘবে সম্প্রতি বেশ কিছু স্থানে গর্ত ভরাট করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এখানো কিছু অংশে গর্ত রয়ে গেছে। তাতে বৃষ্টির পানি জমে রীতিমতো ডোবায় পরিণত হয়ে পড়েছে। গর্তে প্রতিদিন যানবাহন পড়ে যাচ্ছে। দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে মানুষ।

 

উপজেলা এলজিইডির অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাস্তার সংস্কার কাজের টেন্ডার কয়েকবার হলেও রহস্যজনক কারণে কাজ ধরা হয়নি। তবে জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সম্পতি পুরো রাস্তার কিছু কিছু অংশের গর্ত ভরাট করেছে। এতে দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমে এসেছে। তবে উপজেলা সদরে প্রবেশ মুখের অংশে এখনো সংস্কারের ছোঁয়া লাগেনি। এখানে গর্তে বৃষ্টি পানি জমে রীতিমতো ডোবায় পরিণত হয়েছে। তাতে সৃষ্টি হয়েছে কাঁদার। প্রতিদিন যানবাহন গর্তে পড়ে কাঁদায় গড়াগড়ি করতে দেখা যাচ্ছে। এতে মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

 

সিএনজি চালক বিল্লাল হোসেন জানান, রাস্তার অনেক অংশের গর্তে বালি ও সুড়খি ফেলে ভরাট করা হয়েছে। এতে দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমেছে। তবে উপজেলা সদরে প্রবেশ মুখে এখনো বড় বড় গর্ত রয়েছে। তাতে ফেলা হয়েছে শুধু বালি। এতে বৃষ্টি পানি জমে ডোবায় পরিণত হয়েছে। এতে কাঁদার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক গাড়ী আটকে যাচ্ছে। এখানে পৌছে কাঁদায় গড়াগড়ি করতে হচ্ছে। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে গাড়ীর যন্ত্রাংশ।

 

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, রাস্তায় গাড়ী চলাচলে অনেক সমস্যা হয়ে পড়েছে। এতে দুই পাশে গড়া উঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্রেতা আসছে না। মালামালা গাড়ী থেকে উঠানো-নামানোয় অনেক সমস্যা হচ্ছে। এতে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। উপজেলা এলজিইডি’র উপসহকারি প্রকৌশলী সৈয়দ রেজাউল করিম ভূঁইয়া বলেন, জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সময়ের মধ্যে আবারও টেন্ডার আহবান করা হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান মুজাহিদুর রহমান হেলো সরকার বলেন, দুর্ভোগ লাঘবে আপাতত রাস্তার অধিকাংশ স্থানে গর্ত ভরাট করা হয়েছে। বাকী অংশগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে ভরাট করা হবে।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন