Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

কে পাচ্ছে ফতুল্লার নেতৃত্ব ?

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২১, ০৬:৩৩ পিএম

কে পাচ্ছে ফতুল্লার নেতৃত্ব ?
Swapno

# সবাই চায় নেতৃত্বে আসতে, দৌঁড়ঝাপ


# প্রস্তাবিত কমিটির তালিকা জমা


# ব্যর্থরাও সরব, সরবদের ভয় নিজেরাই



চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন করে কেন্দ্র। জেলার প্রতিটি থানা ও পৌর কমিটিগুলো ঢেলে সাজানোর দায়িত্ব আক্ষরিক ভাবে তাদের উপর ন্যাস্ত থাকলেও কমিটি গঠনে অনিয়ম রুখতে গঠন করা হয় ইউনিট ভিত্তিক উপ-কমিটি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের এই উদ্দেশ্য মহৎ হলেও এসব উপ-কমিটির সিংহভাগ নেতা সেন্ডিকেটে ঝুঁকে পড়েছেন- এমন অভিযোগ দলীয় নেতাকর্মীদেরই।

 

ইতিমধ্যেই উপ-কমিটির নেতাদের ভূমিকা নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে তৃণমূলে। বিশেষ করে, ফতুল্লা থানা কমিটি গঠনের প্রাক্কালে তৃণমূলে চলছে আলোচনা- সমালোচনা। অনেকের মাঝে বিরাজ করছে নানা জল্পনাও। এমন জল্পনা বা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই ফতুল্লা থানা বিএনপির প্রস্তাবিত কমিটির তালিকা তৈরী করে জেলা কমিটির আহবায়ক তৈমূর আলম খন্দকারের হাতে দিয়েছেন ফতুল্লা জোনের দায়িত্ব পাওয়া উপ-কমিটির প্রধান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নাসির উদ্দিন আহমেদ। প্রস্তাবিত কমিটির তালিকা জমা দিয়েই ব্যক্তিগত কারণে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন তিনি।এদিকে, প্রস্তাবিত কমিটির তালিকা জমা দেয়ার খবরে ফতুল্লা থানা বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। শেষ পর্যন্ত কে পাবে ফতুল্লা থানা বিএনপির নেতৃত্ব, সেই আলোচনাই চলছে তৃণমূলে।

 

জানা গেছে, ইতিপূর্বে ফতুল্লা থানা বিএনপির আহবায়ক ছিলেন আওয়ামী লীগের পোষ্যতরা স্বীকার করা আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস এবং সদস্য সচিব ছিলেন পান্না মোল্লা। তাদের হাতে ফতুল্লা বিএনপির নেতৃত্ব তুলে দেয়ার পর থেকে সাংগঠনিক ভাবে দূর্বল হয়ে পরে ফতুল্লা থানা বিএনপি। এই দুই নেতা থানা বিএনপিকে সাংগঠনিক ভাবে চাঙ্গা করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে তৃণমূলের অভিযোগ। তারা নেতাকর্মীদের উজ্জিবীতও করতে পারেননি। তবে, ঘুরে ফিরে সেই ব্যর্থদের হাতেই কমিটি তুলে দেয়ার প্রচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলছেন নেতাকর্মীরা।

 

জানা গেছে, ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে যোগ্যতা সম্পন্ন কয়েকজন নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে সভাপতির পদ প্রত্যাসীদের মধ্যে আলোচনায় আছেন থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম এবং জেলা যুবদলের সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু। এছাড়া, সাধারণ সম্পাদক পদে তৃণমূলের আলোচনায় আছেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী,  কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন খন্দকার শিপন এবং বিএনপি নেতা হাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।

 

তৃণমূল নেতারা বলছেন, ফতুল্লা থানা বিএনপিকে গতিশীল করতে হলে সভাপতি পদে অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম অথবা শহিদুল ইসলাম টিটু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী অথবা আলাউদ্দিন খন্দকার শিপনের মধ্যে যেকোন নেতার হাতে তুলে দিতে হবে ফতুল্লা থানা বিএনপির নেতৃত্ব। অন্যথায় পূর্বের আহবায়ক কমিটির ন্যায় আজাদ বিশ্বাস ও পান্না মোল্লার হাতেই যদি নেতৃত্ব তুলে দেয়া হয়, তাহলে আবারও ব্যর্থতার তিলকই পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে ফতুল্লা থানা বিএনপিতে। এমনটাই মনে করছেন বিএনপির প্রবীন রাজনীতিবীদরা।

 

এদিকে, ফতুল্লা থানা বিএনপির কমিটির খসরা কমিটি গঠনের দায়িত্ব পাওয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নাসির উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছিলেন, ‘যারাই প্রার্থী হতে চান সকলের নামই প্রস্তাবনায় আনা হয়েছে। কমিটিতে আসতে চাওয়া কারও নাম বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।’ শেষ পর্যন্ত কে পাবে ফতুল্লা থানা বিএনপির নেতৃত্ব, তা নিয়ে তৃণমূলে চলছে তুমুল আলোচনা। ফতুল্লা থানা বিএনপিকে চাঙ্গা করতে বা এগিয়ে নিতে কাদের হাতে তুলে দেয়া হবে দায়িত্ব, তা দেখার অপেক্ষায় তৃণমূল।  

 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন