Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

ভুলতা ফ্লাইওভার ভূতুড়ে অন্ধকার

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২১, ১০:০৬ পিএম

ভুলতা ফ্লাইওভার ভূতুড়ে অন্ধকার
Swapno

নারায়ণগঞ্জের সর্ববৃহৎ প্রকল্প ভূলতা ফ্লাইওভারের দুটি অংশ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও গাজীপুর-চট্টগ্রাম বাইপাস সড়ক এখন রাতের বেলায় ঘোর অন্ধকার। কয়েক দিন ধরে ভূলতা ফ্লাইওভারে বাতি না জ্বালানোর কারণে অপরাধীরা সক্রিয় রয়েছে।

 

রূপগঞ্জের ভূলতা ফ্লাইওভার যানজট নিরসনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও রাতের বেলায় ফ্লাইওভার অনেকের কাছে ভয়াবহ আতঙ্কের নাম। সূর্যের আলো নিভে গেলেই ফ্লাইওভারে ভূতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করে। আলো ও সিসি ক্যামেরা না থাকায় প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা। আর গভীর রাতে ফ্লাইওভারতো রীতিমতো আরো ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাত ১১টার পর ছিনতাইকারীর ভয়ে ফ্লাইওভার দিয়ে যানবাহন চলাচল করে না। যারা না জেনে গভীর রাতে ফ্লাইওভার দিয়ে যাতায়াত করে তাদের বিপদে পড়তে হয়।

 

শুধু তাই নয়, ভূতুড়ে পরিবেশের কারণে অনেক যানবাহনই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। আলো না থাকার ফলে মাদকসেবীরা নির্বিঘ্নে মাদক সেবন করে। এখানে পড়ে থাকতে দেখা যায় ফেনসিডিলের খালি বোতল। ফ্লাইওভার কর্তৃপক্ষের যথাযথ নজরদারি না থাকায় এখন রাতের অন্ধকারে ডুবে থাকে ৩৫৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ফ্লাইওভার। এ অবস্থায় রাতে ফ্লাইওভারটিতে যানবাহন চলাচলে হয়ে ওঠে অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং বিরাজ করে আতঙ্ক।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ফ্লাইওভারের কোনো বাতি জ্বালানো হয়নি। অন্ধকারে হেড লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এ সময় গাজীপুরগামী ট্রাক চালক আরাফাত রহমান জানান, প্রায় সময় এ ফ্লাইওভার দিয়ে যাতায়াত করি। রাতে অনেকে মোটরবাইক নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। অনেকে বসে মাদক সেবন করে। তখন খুব ভয়ে থাকি। যদি লাইট জ্বলতো তাহলে এতটা ভয় লাগত না।

 

সিএনজি চালক যুহায়ের মাহতাব বলেন, সর্বোচ্চ রাত ১১টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচল করে। এরপরে আর কেউ সাহস করে ফ্লাইওভার দিয়ে যায় না। কারণ অন্ধকারের মধ্যে ওত পেতে থাকে ছিনতাইকারীরা। যানবাহন চলাচল কম থাকায় নির্বিঘ্নে ছিনতাইকারীরা সব নিয়ে চলে যায়।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন