বৈধ গ্যাস সংযোগের প্রতিশ্রুতি দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজান
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২১, ১১:৩৬ পিএম
আধুনিক সুযোগ সুবিধার তুলনায় একটি দিক থেকে বেশ পিছিয়ে আছে রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নটি। বলা হচ্ছে জ্বালানি গ্যাসের কথা। ইউনিয়নটির কোথাও কোথাও গ্যাসের সংযোগ দেখা গেলেও কাগজে কলমে তা অবৈধ। তাই প্রায় সময়ই এই অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণ অভিযান চালাতে দেখা যায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। তাইতো কায়েতপাড়ার সিংহভাগ পরিবারই এখনও মাটির চুলায় নির্ভর।
তবে, এবার কায়েতপাড়াবাসীকে আশার বানি শোনালেন ইউনিয়নটির বর্তমান জনপ্রিয় চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের ভাই আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্রপ্রার্থী মিজানুর রহমান। তিনি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির তালিকায় যোগ করেছেন বৈধ গ্যাস সংযোগ এনে দেয়ার কথা। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা মিজানুর রহমানের কথায় আস্থা খুঁজে পেয়েছেন।
গতকাল দুপুরে কায়েতপাড়ার নগরপাড়া এলাকায় গণসংযোগ কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মিজানুর রহমান বলেন, কায়েতপাড়ায় একটি বড় সমস্যা হচ্ছে এখানে বৈধ গ্যাস সংযোগ নেই। আমার মা-বোনরা এখনো কষ্ট করে কাঠ-পাতা পুড়িয়ে মাটির চুলায় তাদের দৈনন্দিত রান্নাবান্নার কাজ করে থাকে। আমি আমার কায়েতপাড়াবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, আমি যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে এই কায়েতপাড়ায় বৈধ গ্যাস সংযোগ এনে দেয়ার ব্যবস্থা করবো। প্রতিটি ঘরে ঘরে বৈধ গ্যাসের সংযোগ থাকবে। এতে আমার মা বোনদের যেমন কষ্ট লাঘোব হবে, তেমনি আমাদের এই কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আরো একধাপ এগিয়ে যাবে।
এদিকে, কেবল বৈধ গ্যাস সংযোগই নয়, নির্বাচিত হলে আরো একাধিক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছেন স্বতন্ত্রপ্রার্থী মিজানুর রহমান। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে জনগণের চাকর হিসেবে কাজ করবো। আর কায়েতপাড়ার প্রতিটি জনগণ হবে এক একজন মিজান এবং এক একজন চেয়ারম্যান। অর্থাৎ সবাইকে সাথে নিয়ে আমি এই কায়েতপাড়াকে আরো সুন্দর ভাবে সাজাতে চাই। এই কায়েতপাড়াকে ডিজিটাল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চাই। মাদক নির্মূল করতে চাই। বেকারমুক্ত সমাজ গড়তে চাই এবং যুবসমাজ যাতে কর্মকরে খেতে পারে, এই জন্য এখানে কর্মসংস্থান গড়ে তোলার সুব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি বাল্যবিয়ে বন্ধ, শিক্ষা ও কৃষিখাতে অগ্রাধীকার দেব। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত শান্তি শৃঙ্খলার চাদরে মোড়ানো একটি ইউনিয়ন উপহার দেব।
তিনি বলেন, ‘আমিও একজন আওয়ামী লীগের নেতা। আমার বড় ভাই রফিকুল ইসলাম এখনো আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান আছেন। ভোটাররাই বলছেন যে, আমার ভাই চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম এবং আমি মিজানুর রহমান বিগত সময়ে বিশেষ করে করোনাকালে এই কায়েতপাড়াবাসীর পাশে যেভাবে দাঁড়িয়েছি, তাই আগামীতে তারা আমাদেরকেই চায়।
এসময় তার সাথে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


