ফতুল্লায় সমর্থন দেয়া নিয়ে চরম বিপাকে শামীম ওসমান
পরিচয় প্রকাশ গুপ্ত
প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২১, ০৪:২৬ পিএম
ফতুল্লার মহল্লাগুলোর দেয়াল এবং আকাশে এখন এলাকাবাসীর প্রতি সালাম-আদাব সম্বলিত ব্যানার ও পোষ্টার শোভা পাচ্ছে। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ফতুল্লা ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা দেয়ার পরই শুরু হয়েছে আগ্রহী প্রার্থীদের এই সালাম-আদাব বর্ষণের অতিবৃষ্টি। প্রায় ৩০ বছর পর আগামী ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে চেয়ারম্যান পদে আগ্রহের কথা যারা জানান দিয়েছেন তাদের অধিকাংশই এমপি শামীম ওসমানের কাছের লোক ও একান্ত আস্থাভাজন।
এরা মনে করেন, শামীম ওসমানের সমর্থন পেলেই তারা নৌকা প্রতীক পাবেন এবং নৌকা পেলেই জয় সুনিশ্চিত। এরা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল আলী, থানা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি ও বর্তমানে ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খন্দকার লুৎফর রহমান স্বপন, থানা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহাম্মদ লিটন, থানা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক ফাইজুল ও ছাত্রলীগ সভাপতি আবু মোহাম্মদ শরীফুল হক প্রমুখ।
এরা সবাই শামীম ওসমানের অত্যন্ত ঘণিষ্ঠ। তাই বিপাকে আছেন শামীম ওসমানও। তিনি কাকে রেখে কাকে সমর্থন দেবেন। কারণ, একজনকে সমর্থন দিলে অন্যরা কষ্ট পাবে। অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে মেয়াদী বোমা হয়ে থাকবে এবং সময় মতো বিস্ফোরিত হবে। ইতিমধ্যেই জোর তদবির ও লবিং শুরু হয়ে গেছে।
সীমানাসহ নানা সমস্যায় মামলা মোকদ্দমায় ৩০ বছর আটকে ছিল ফতুল্লা ইউপি নির্বাচন। সব ঠিক থাকলে ২৩ ডিসেম্বর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থীদেরও সালাম-আদাব সম্বলিত ব্যন্রা পোষ্টারের মাধ্যমে এলাকাবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণী কর্মকান্ডও শুরু হয়ে গেছে।
এদিকে, এ নির্বাচন নিয়ে আলাপকালে শামীম ওসমানের একান্ত আস্থাভাজন ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যন প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক এবং থানা যুবলীগ নভাপতি মীর সোহেল আলী জানান, আওয়ামী লীগ থেকে চেয়ারম্যান হতে তিনি আগ্রহী, তবে নৌকা না পেলে যে পাবেন তার পক্ষেই কাজ করবো। ঠিক একই কথা বলেছেন থানা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক ফরিদ আহাম্মদ লিটন ও থানা ছাত্রলীগ সভাপতি আবু মোহাম্মদ শরীফুল হক।


