Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

যাত্রী ছাউনীর অভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চরম দুভোর্গে যাত্রীরা

Icon

আশরাফুল আলম

প্রকাশ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৪৫ পিএম

যাত্রী ছাউনীর অভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে  চরম দুভোর্গে যাত্রীরা
Swapno

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর থেকে মেঘনা সেতু পর্যন্ত সড়কটির কাঁচপুর, মদনপুর, মালিবাগ, লাঙ্গলবন্দ, টিপরদী, মোগরাপাড়া, পিরোজপুর, আষাঢ়িয়ারচর ও মেঘনাঘাটসহ কয়েকটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ স্পটে যাত্রী ছাউনী না থাকায় রোদ-বৃষ্টিতে সড়কের পাশে ঠায় দাড়িয়ে থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন গন্ত্যবে যাতায়ত করছেন নারী ও শিশুসহ সাধারন যাত্রীরা।

 

এছাড়া সড়কের পাশে যাত্রী ছাউনী না থাকায় অনেকেই মুমুর্ষ রোগী নিয়েও যানবাহনের অপেক্ষায় নিরুপায় সড়কের পাশে খোলা আকাশের নিচেই দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন। তবে এই মহাসড়কের কেওঢালা, জাঙ্গাল, দড়িকান্দি ও সোনাখালিসহ কয়েকটি স্থানে অপরিকল্পিত ভাবে নির্মিত দীর্ঘদিনের পুরাতন যাত্রী ছাউনী থাকলেও সেই যাত্রী ছাউনীগুলো এখন পুরোপুরি ব্যবহার অযোগ্য। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এসব যাত্রী ছাউনীতে ব্যবহৃত টিনগুলো মরিচা ধরে ছিদ্র হয়ে গেছে। যাত্রী ছাউনী গুলোতে ব্যবহৃত লোহার বিভিন্ন উপকরন ভেঙ্গে চুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে।

 

বর্তমানে সড়কে চলাচলরত যাত্রী সাধারন এই ছাউনী ব্যবহার না করার ফলে বিভিন্ন আগাছা লতা পাতায় ছেয়ে ভূতরে বাড়ীতে পরিনত হয়ে গেছে। তাছাড়া কিছু কিছু যাত্রী ছাউনীতে আবার ভাসমান মানুষের বসবাস। আবার কোনটিকে মলত্যাগের স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি রাত হলেই যাত্রী ছাউনী গুলোতে বসে মাদকের আসর। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অবহেলিত হয়ে পড়ে আছে এসব যাত্রী ছাউনীগুলো। যার ফলে সড়কে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের সারা বছরই প্রচন্ড রোদ আর বৃষ্টিতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থানে যাত্রী ছাউনীর অভাবে মানুষের ভোগান্তীর শেষ নেই।

 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হাজার হাজার যাত্রীরা প্রতিদিন মেঘনা শিল্পনগরী এলাকা দিয়ে যাতায়াত করেন। গাড়ির জন্য রাস্তায় দাড়িয়ে থাকে বসার কোন ব্যবস্থা নেই। বিশেষ করে এসড়কের মদনপুর চৌরাস্তা এলাকা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি যাত্রী বিভিন্নস্থানে যাতায়াত করেন। মদনপুর চৌরাস্তা এলাকায় একটি যাত্রী ছাউনী বিশেষ প্রয়োজন বলে মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মদনপুর এলাকার একজন জনপ্রতিনিধি জানান, মহাসড়কের পাশে কোন যাত্রী ছাউনী না থাকায় সোনারগাঁ ও বন্দর উপজেলার হাজার হাজার যাত্রী অনেক কষ্টে আছে। প্রতিদিন রোধ আর বৃষ্টিতে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের। মদনপুর বাস স্টান্ডে কোন গাছ গাছালী পর্যন্ত নেই। সে জন্য ছাঁয়ায় দাড়ানোর মত কোন ব্যবস্থা নেই।

 

রোগী নিয়ে ঢাকার কোন হাসপাতালে যেতে হলেও যানবাহনের অপেক্ষায় সড়কের পাশেই রোদে দাড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক মা শিশু বাচ্চাদের নিয়ে চলাচলরত অবস্থায় বসার কোন পরিবেশ পায়না। মদনপুর এলাকাবাসীর দাবি জনগুরুত্বপূর্ণ এই স্থানটিতে সড়কের দুপাশে চারটি যাত্রী ছাউনীর ব্যবস্থা করা খুবই জরুরি।

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আমাদের আরো যাত্রী ছাউনী তৈরি করার পরিকল্পনা আছে। যে সব যাত্রী ছাউনী গুলো অকেজো ও নষ্ট হয়ে গেছে এবং ঝড়াজীর্ন যাত্রী ছাউনী গুলো পুনরায় মেরামত করা জন্য জেলা পরিষদের প্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন