ফতুল্লায় ৪ নং এ টিউবওয়েল নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে জুয়েল
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:০৪ পিএম
গতকাল আসন্ন ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী মেহেদী হাসান জুয়েল টিউবওয়েল প্রতীক পাওয়ার পরে ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে গণসংযোগ করেন।
আসন্ন ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী মেহেদী হাসান জুয়েল টিউবওয়েল প্রতীক পাওয়ার পরে ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে গণসংযোগ করেন। সেই সাথে ভোটে জয়ী হওয়ার জন্য মানুষকে সেবা প্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রডিতশ্রুতি প্রদান করেন। বুধবার (৮ ডিসেম্বর ) বিকেল বেলায় ফতুল্লা লালপুর পৌষপার্বণ পুকুরপাড়সহ বিভিন্ন এলাকার গণসংযোগ করে ভোট প্রার্থনায় করেন।
টিউবওয়েল প্রতীকে মেম্বার প্রার্থী মেহেদী হাসান জুয়েল বলেন, দীর্ঘদিন ৩০ বছর পর ২৬শে ডিসেম্বর নির্বাচনে ফতুল্লা ইউপিবাসীর আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলন হতে যাচ্ছে। আমরা সাবাই আনন্দিত। আমি মানুষের সেবা করার জন্য ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রার্থী হয়েছি। এলাকায় মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থান নিয়ে তা বন্ধ করেছি তাছাড়া এলাকার সামাজিক কাজে আমার অগ্রণী ভুমিকা ছিল এবং থাকবো।
তাছাড়া আমার নেতা উন্নয়নের রুপকার ৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান মহোদয়ের নির্দেশনায় করোনা কালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দারিয়েছি। এছাড়াও এ এলাকায় যে জলাবদ্ধতা তা আমার নেতার সহযোগীতায় নিরসন করার চেষ্ঠা করেছি। আমি জয়যুক্ত হলে জলাবদ্ধতা নিরসন করব। আমি বিশ্বাস করি এখানকার মানুষ আমাকে ভোটের মাধ্যমে জয়ী করে সেবা করার সুযোগ দিবেন।
এসময় গণসংযোগে উপস্থিত বক্তারা বলেন, মেহেদী হাসান জুয়েল এই এলাকার শিক্ষিত ও ভদ্র সন্তান। তিনি যখন সুনছেন টাকার অভাবে কোন মানুষ চিকিৎসা করাতে পারছেন না তখন ওই মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। তার মত ব্যক্তি এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমরা চাই। কেননা তিনি ইতিমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক সেবা মূলক কাজ করে মানুষের মনে কোঠায় নিজেকে অর্জন করে নিয়েছেন। এলাকায় আমাদের মত মেহনতী গরিব দুঃখী মানুষের পাসে সব সময় থাকেন। আমরা তাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে জয়ী করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। জুয়েলের জয়ের মালা নিয়ে আমরা ঘরে ফিরবো।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, কুরবান আলী, মো.বাপ্পি, মো.নুরুজ্জামান, মো.খোকন, মো. হান্নান, মো.লিটন, সুজন, সিরাজ, হৃদয়, নিরব,জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আবু রায়হান, জরিনা, জুথি, পারভিনসহ স্থানীয় মুরুব্বিগণ।


