বন্দরে চেয়ারম্যান দেলোয়ার বাহিনীর তান্ডব, গুরুতর আহত ১
বন্দর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৫৫ এএম
বন্দরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে সোহেল (৩৫) নামের এক মুদি ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসী সিরাজ ও বাঁধন গং। রোববার সকালে বন্দর উপজেলাধীন জিওধরা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এতে গুরুত্বর একজন ও নারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এব্যাপারে বন্দর থানায় উভপক্ষের আলাদা ২টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
তবে এঘটনায় গুরুতর আহত সোহেলের পারিবারিক সুত্র থেকে জানা যায়, সোহেলের বাবা পিয়ার আলী জিওধরা এলাকায় পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত একটি জায়গায় দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগদখল করে আসছে।তবে কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কথিত আস্থাভাজন স্থানীয় তাওলাদ,আশা ও লাভলুর শেল্টারে সিরাজ ও তার সন্ত্রাসীবাহিনী নানা ভাবে জাল দলিল পেশ করে ঐ সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টা চালায়।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, এ নিয়ে কলাগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান কয়েকবার শালিসি বিচারের সময় বেঁধে দিলেও রহস্যজনক কারনে তা আর বাস্তবে রূপ নেয় নি। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে, জিওধরা এলাকার মৃত ফজলুল হকের ছেলে সিরাজ (৪০), তার স্ত্রী রাজিয়া, তার ছেলে রাকিব(২২) ও একই এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে বাধঁন(৩০) লাঠিসোটা সহযোগে ঐ জমিতে দখল ও দোকান নির্মান করতে আসে। এসময় সোহেল এতে বাঁধা প্রদান করলে উভমুখী সংঘাত সৃষ্টি হয়।
এসময় সিরাজের নেতৃত্বে বাঁধন তার হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সোহেলকে সজোড়ে আঘাত করলে তার মাথা ফেঁটে মারাত্মক জখম হয়। এতে তার ছোট জুয়েল প্রতিবাদ করলে তাকেও উল্লেখ্যিত চারজন মিলে মারধর করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনা শেষে আহতের শাশুড়ী শিল্পি বাদি হয়ে বন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অপর পক্ষের সিরাজ ঘটনাটিকে সম্পূর্ণ উল্টো আখ্যা দিয়ে পালটা অভিযোগ দায়েরের জন্য থানায় শরণাপন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
এঘটনার মূলে কারা রয়েছে তার অনুসন্ধান করতে গেলে বিশ্বস্ত সুত্রে খবর পাওয়া যায় যে স্থানীয় লাভলু ও তাওলাদ গং কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রদানের নাম করে জিওধরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব চালায়। তারা বিভিন্ন জনের কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে নানা অপকার্যক্রম পরিচালনা করে। এমনকি বিশেষ মহলকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের শেল্টার ও ইন্ধন দেয়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় বিভিন্ন সময় মারামারিসহ একাধিক মামলায়ও গ্রেফতার হন।


