প্রতীকী ছবি
বন্দর উপজেলার অধিকাংশ ঔষধের দোকান গুলোতে চলছে নেশা জাতীয় ঔষধের রমরমা ব্যবসা। এমন অভিযোগ তুলেছে বন্দরের সচেতন মহল।
তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বন্দর উপজেলার মদনপুর বাজার, ধামগড় বাজার, লক্ষনখোলাস্থ সোমবাড়ীয়া বাজার, নবীগঞ্জ বাজার, বন্দর বাজার, বন্দর রেললাইন, পুরান বন্দর চৌধূরীবাড়ী, সোনাকান্দা, দড়িসোনাকান্দা, ফরাজিকান্দা, মদনগঞ্জ, আলীনগর, ঘারমোড়া, চুনাভূরা, কলাগাছিয়া, সাবদী ও আদমপুর এলাকাসহ তার আশেপাশের এলাকাগুলোতে র্নিবিঘ্নে ঔষধের দোকান গড়ে তুলে সেখানে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে নানা প্রকার নেশা জাতীয় ঔষধ। বিভিন্ন ভাবে খোজ নিয়ে জানা গেছে, উল্লেখিত এলাকার অধিকাংশ ঔষধের দোকানের কোন সরকারি লাইন্সেস নেই।
প্রতারক ঔষধ ব্যবসায়ীরা অর্ধ শিক্ষিত হয়েও গ্রামগঞ্জে ঔষধের দোকানে গড়ে তুলে সেখানে নেশা জাতীয় ঔষধসহ মেয়াদ র্উত্তীন ঔষধ বিক্রি করছে। রোগ থেকে নিরাময় পেতে ভূক্তভোগীরা না জেনে ঐ সকল ঔষধের দোকান গুলোতে ভীড় জমাচ্ছে। মেয়াদ র্উত্তীন ঔষধ সেবন করে অনেকে নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মাদক সেবী এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছে, মদ,গাঁজা, হেরোইন, ফেন্সিডিল ও ইয়াবা সেবনকারিরা উল্লেখিত মাদক না পেয়ে তার প্রতিদিন ভীড় করছে বিভিন্ন ঔষধের দোকান গুলোতে।
মাদক সেবীরা মোটা অংকের টাকা দিয়ে ঔসব দোকান গুলো থেকে বিনা প্রেসক্রিপশনে ইউনেক টিন, সিডিল, নকটিন, ওরাডেকসন, ফিসিয়াম, সিডেক্সিন, হিসনাল, ফেনারগন, ডেসপ্রটিন, ডাইডিলসহ নানা প্রকার ঔষধ ক্রয় করে সেবন করছে। বন্দরে অধিকাংশ ঔষধের দোকান গুলোতে ভ্রামমান আদালতের অভিযান না থাকায় প্রতারক ঔষধ ব্যবসায়ীরা মরন নেশা ঔষধ বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এ অবস্থা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য সচেতন মহল বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ও বন্দর থানা অফিসার ইনর্চাজের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বন্দরের সচেতন মহল।


