Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়নের মানববন্ধন

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০১ পিএম

ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়নের মানববন্ধন

নদীপথে বেপরোয়া গতিতে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচলে সরকারি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের দাবিতে ট্রলার(বাল্কহেড) শ্রমিক ইউনিয়ন ফতুল্লা ঘাট কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল ১০টায় ফতুল্লা খেয়াঘাটে এ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।

Swapno

নদীপথে বেপরোয়া গতিতে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচলে সরকারি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের দাবিতে ট্রলার(বাল্কহেড) শ্রমিক ইউনিয়ন ফতুল্লা ঘাট কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল ১০টায় ফতুল্লা খেয়াঘাটে এ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।  

 

ট্রলার(বাল্কহেড) শ্রমিক ইউনিয়ন ফতুল্লা ঘাট কমিটির সভাপতি সবুজ মিয়াজির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস.এম. হুমায়ুন কবির। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মাস্টার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মো. হারুন মোল্লা,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হোসেন মাস্টার,কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান তালুকদার। দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান সুমন, আইন বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল ড্রাইভার, সদস্য সুজন সুকানি ও মামুন ড্রাইভার।

 

বক্তব্যে বক্তারা বলেন, নৌপথে ঢাকার সদরঘাট থেকে প্রতিদিন গড়ে ৮০ থেকে ৮৫টি লঞ্চ এবং বড় বড় নৌযান বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদী দিয়ে ফতুল্লা ঘাট হয়ে চলাচল করে। এসব নৌযানের মাত্রাতিরিক্ত গতির কারণে নদীতে সদরঘাট থেকে ফতুল্লা, ধর্মগঞ্জ সহ মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত নদীতে অস্বাভাবিক ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। যার ফলে নদীর দুই পাড়ের জনবসতি,শিল্প কারখানা, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা, এবং বিভিন্ন ঘাট ও পয়েন্টগুলোতে অবস্থানরত ছোট ছোট নৌযান ও খেয়াঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

বিভিন্ন সময় অস্বাভাবিক ঢেউয়ের কারণে নদীপথে দূর্ঘটনার কবলে পরে নিঃস্ব হচ্ছেন সাধারণ যাত্রী ও চালকরা। ফলে জনসাধারণের কল্যাণে ট্রলার (বাল্কহেড) শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ বরাবর লিখিত আবেদন করলে একটি আইন পাশ হয়। যেখানে এই রুট দিয়ে চলাচলরত সকল লঞ্চ ও বড় নৌযানকে ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৬ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলার নির্দেশ নেয়া হয়। কিন্তু এই নির্দেশনার পরে গত এক বছরেও আইনটির বাস্তবায়ন হয়নি।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন