বন্দর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির খামখেয়ালীর কারণে ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ গ্রাহক
বন্দর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১২:৫২ পিএম
বন্দর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির খামখেয়ালীর কারণে ঝুঁকি নিয়েই বিদ্যুৎ সেবা গ্রহণ করছে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।
করোনা ভাইরাসের পর ওমিক্রন সংক্রমনে মৃত্যুর হার বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়লেও বন্দর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির খামখেয়ালীর কারণে ঝুঁকি নিয়েই বিদ্যুৎ সেবা গ্রহণ করছে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। সুরক্ষা মাস্ক ছাড়াই তারা বিদ্যুৎ অফিসে প্রবেশ করছে। প্রধান ফটকেও নেই কোন নিরাপত্তা বেষ্টনী।
হাত ধোয়ার জন্য একটি বেসিন থাকলেও কলটি বিকল হয়ে আছে অনেকদিন ধরে। গ্রাহকরা মাস্ক ছাড়াই পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের বিলগ্রহনের কাউন্টারের সামনে ভীড় জমাচ্ছে। সামাজিক দুরত্বের কোন বালাই নেই। এমনকি বিলগ্রহনকারী অফিসারদের মূখেও নেই মাস্ক কিংবা সুরক্ষা সামগ্রী। ফলে ক্রমেই করোনা ঝুকিতে পড়ছে বিদ্যুৎ সেবা নিতে আসা গ্রাহকরা।
এ বিষয়ে বন্দর পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে সেবা নিতে আসা এক গ্রাহক বলেন,আমার বাড়ি বন্দর কলাবাগ এলাকায়। মাস্ক পড়ে এসেছি বিদ্যুৎ বিল দিতে। শুনেছি সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে নাকি মাস্ক ছাড়া প্রবেশ করা যায়না। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম যারা সেবা দিবে তারাই স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা। এতে করে ঝুকি তো রয়েই যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে বন্দর পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম শ.ম মিজানুর রহমান বলেন, অফিসের সকল স্টাফকে বলা আছে সবাই যাতে অবশ্যই মাস্ক পড়ে অফিস করেন। শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য নির্দেশনা দেয়া আছে। যারা এই নিয়ম ভঙ্গ করবে তাদের অফিসে প্রবেশ করতে দেয়া হবেনা। চাকুরীর চেয়ে বেশি দায়িত্ব হলো সংকটময় মুহুর্ত্বে বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছে দেয়া। এরপর রয়েছে করোনা ঝুঁকি। তবুও ভয়কে জয় করে শতভাগ সেবা দিতে কাজ করে যাচ্ছি।


