ফতুল্লা থানার বিএনপির নিবেদিত এবং পূরনো নেতাদের মাঝে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম, সাবেক সাধারন সম্পাদক স ম নূরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা হাজী মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন খন্দকার শিপন, সাবেক সাধারন সম্পাদক কবির প্রধান, বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন জালাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন এবং একই এলাকার যুবদল নেতা হাসান আলী, একরামুল কবির মামুন, নাদিম হাসান মিঠু এবং গিয়াস উদ্দিন লাভলু প্রমুখ সহ থানার বিভিন্ন ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ।
এদেরকে বাদ দিয়ে দল গঠন করা হলে সেই দল কখনোই পূর্ণতা পাবে না। এ বিষয়ে একজন নেতা জানান সারা ফতুল্লা থানায় কয়েকজন নেতা দলে নিজেদের লোক খুঁজতে গিয়ে দিনে দিনে দলকে একেবারে দূর্বল করে ফেলেছে। এক সময় সারা দেশে যেখানে ফতুল্লা থানা বিএনপি ছিলো সব চেয়ে শক্তিশালী একটি ইউনিট সেখানে এখন ফতুল্লা থানায় বিএনপির কোনো সাংগঠনিক ভিত্তিই নেই। তাই আমরা আশা করবো দলের সবাইকে রেখে একটি দলকে আবারও একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তির উপর দাড় করানো হবে।
এ বিষয়ে একই রকম প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা। তিনি বলেন, বিগত কয়েক বছর এই থানায় বিএনপির কিছু সিনিয়র নেতা নিজেদের লোক খুঁজতে গিয়ে বাদ দেয়ার রাজনীতি শুরু করেছেন। তারা নিজেদের লোক খুঁজতে গিয়ে দলের বহু নেতাকে মাইনাস করে কমিটি করেছেন। এতে দক্ষ লোকের হাতে কমিটির দায়িত্ব না পরে পরেছে আজাদ বিশ^াসের মতো ওসমান পরিবারের লোকদের হাতে। এতে যা হবার তাই হয়েছে। দূর্বল হয়েছে বিএনপি। তবে আমরা মনে করি সময় এসেছে বিএনপিকে শক্তিশালী করার। এবার দায়িত্ব পরেছে রোজেল আর শহীদুল ইসলাম টিটুর হাতে। যদিও তারা অনেকের তুলনায় জুনিয়র। তার পরেও আমরা আশা করি তারা দল গঠনে উদারতার পরিচয় দেবেন। সবাইকে রেখে দল গঠন করবেন। অন্যথায় ব্যার্থতার সকল দায়ভার তাদের উপরই বর্তাবে।


